অচল বান্দরবানের ২ পৌরসভা : ভেঙ্গে পড়ছে নাগরিক সেবা

বান্দরবান পৌরসভা
পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আন্দোলনে গত ১৫ দিন ধরে বান্দরবানের দুইটি পৌরসভার সকল কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে, ফলে ভেঙ্গে পড়ছে নাগরিক সেবা।
সূত্রে জানা গেছে, গত ১৪ জুলাই থেকে ঢাকা জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে কেন্দ্রীয় কর্মসুচী অংশহিসেবে অবস্থান কর্মসুচী পালন করে যাচ্ছেন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। এতে করে পৌর বাসী নাগরিক সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। ভেঙ্গে পড়ছে নাগরিক সেবা এবং ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছে সেবা নিতে আসা শত শত নাগরিকের। আন্দোলনের কারণে পৌরসভার সব বিভাগের রুমে ঝুলছে তালা। দেখা যাচ্ছেনা রাস্তা পরিচ্ছন্ন কর্মীদেরকেও। ময়লা আবর্জনা অপসারণ না করায় পৌর এলাকার পরিবেশ ভারী হয়ে উঠেছে।
এদিকে রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের শতভাগ বেতন প্রদানসহ অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা প্রদানের দাবিতে বান্দরবান ও লামা পৌরসভার সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী চলতি মাসে ১ জুলাই নিজ নিজ পৌরসভায় কর্র্মবিরতি পালন করেন। গত ২ জুলাই বান্দরবান প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন কর্মসুচী পালন করেন। গত ১৪ জুলাই থেকে কেন্দ্রীয় কর্মসুচীর অংশ হিসেবে পৌরসভার সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী ঢাকা জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অবস্থান কর্মসুচী পালন করেন। এতে পৌরসভা সার্ভিস এসোসিয়েশনের বান্দরবান জেলা শাখার সভাপতি মংশৈখৈ মারমা, সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম মজুমদার, সাংগঠনিক সম্পাদক মো: হোসেনসহ দুইটি পৌরসভার সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অবস্থান কর্মসুচীতে অংশগ্রহন করেন।
পৌরসভা সার্ভিস এসোসিয়েশনের বান্দরবান জেলা শাখার সভাপতি মংশৈখৈ মারমা বলেন,নাগরিক জীবনের জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত সকল সেবা পৌর কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রদান করলেও মাস শেষে তারা নিয়মিত বেতন পায়না। চাকুরী শেষে তাদের পেনশনের কোন নিশ্চয়তা নেই। এ অবস্থায় দেশের বিভিন্ন পৌরসভায় বছরের পর বছর বেতন-ভাতা বকেয়া রয়েছে। নিয়মিত বেতন-ভাতা না পেয়ে পৌর কর্মকর্তা-কর্মচারীরা পরিবার-পরিজন নিয়ে অবর্ণনীয় দূর্ভোগ পোহাচ্ছে।
তিনি আরো বলেন, আমরা পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন ভাতা ও পেনশন সুবিধা সরকারি কোষাগার থেকে প্রদানের জন্য সরকারের কাছে দাবী জানান।

আরও পড়ুন

আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না।