অস্ত্রের চেয়ে কলমের শক্তি বেশি : প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর

প্রাক বড়দিনের শুভেচ্ছা স্বরুপ কেক কাটেন প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর
অস্ত্রের চেয়ে কলমের শক্তি বেশি, আর কলমের সঠিক ব্যবহারের মধ্য দিয়ে আগামীর সু-নেতৃত্ব গড়ে উঠবে এমনটাই মন্তব্য করেছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর। বৃহস্পতিবার সকালে বান্দরবানের ফাতিমা রাণী ধর্মপল্লীর আয়োজনে ফাতিমা রাণী গীর্জায় খ্রীষ্টভক্তদের ২৫ ডিসেম্বরের বড়দিন উপলক্ষে প্রাক বড় দিনের শুভেচ্ছা ও খ্রীষ্ট ভক্তদের বার্ষিক পূনমিলন অনুষ্টানে তিনি এসব কথা বলেন।

এসময় প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর আরো বলেন, বর্তমান সরকার শিক্ষাবান্ধব সরকার, সরকারের আন্তরিকতায় পার্বত্য এলাকার সর্বত্র এখন বিদ্যালয় নির্মিত হচ্ছে এবং শিক্ষক নিয়োগ করে আধুনিক মানের শিক্ষার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এসময় প্রতিমন্ত্রী শিক্ষকদের আরো মনোযোগী হয়ে শিক্ষার্থীদের পড়ালেখা করার অনুরোধ জানান।
তিনি আরো বলেন, পড়ালেখার বিকল্প কিছুই নেই, একসময় পার্বত্য এলাকার উন্নয়ন না হলে ও এখন যেদিকে তাকাবেন,সেদিকে উন্নয়নের ছোয়া। এখন মানুষের মধ্যে শান্তি বিরাজ করছে, আর তাই অস্ত্র নয় কলমের মাধ্যমে এগিয়ে যেতে হবে সকলকে। তিনি আরো বলেন, যে জাতি যত শিক্ষিত, সে জাতি তত উন্নত, তাই শিক্ষার উন্নয়নের কোন বিকল্প নেই ।

চট্টগ্রাম ডাইওসির বিশপ মজেস কস্তার সভাপতিত্বে অনুষ্টানে পার্বত্য চট্র্গ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

প্রাক বড় দিনের শুভেচ্ছা ও খ্রীষ্ট ভক্তদের বার্ষিক পূর্নমিলনী অনুষ্টান
এসময় অন্যান্যদের মধ্যে জেলা প্রশাসক দিলীপ কুমার বণিক, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অর্ণিবান চাকমা, পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য কাঞ্চনজয় তংচঙ্গ্যা,ফিলিপ ত্রিপুরা,বান্দরবান ফাতেমা রানী চার্চের পালক পুরোহিত ফাদার ডমিনিক সরকার সিএসসি,রাঙ্গামাটি গীর্জার পালক পুরোহিত ফাদার পংকজ পেরেরা,বান্দরবান ডনবস্কো উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ব্রাদার :সিলভেস্টার মৃধা সিএসসিসহ গীর্জার ফাদার ও ফাতিমা রানী ধর্মপল্লীর ছাত্র-ছাত্রী ও অভিভাবকরা উপস্থিত ছিলেন।

এসময় অনুষ্টানে জেলা প্রশাসক দিলীপ কুমার বণিক, যিশু খ্রীস্টের দীক্ষায় সকলকে দীক্ষিত হয়ে আলোকিত জীবন গড়ার অনুরোধ জানান । তিনি আরো বলেন ,যিশু মানবসেবার জন্য কাজ করে গেছেন তাই আজ তিনি পৃথিবীব্যাপী সমাদৃত হয়ে রয়েছেন। যিশুর মত সকলকে ভালো কাজ করতে হবে আর পৃথিবীকে সুন্দরভাবে গড়ে তুলতে হবে ।

শেষে ফাতিমা রানী ধর্মপল্লীর ছাত্র-ছাত্রীদের অংশগ্রহনে এক মনোরম সাংস্কৃতিক অনুষ্টান ও প্রাক বড়দিনের শুভেচ্ছা স্বরুপ কেক কাটা হয় ।

আরও পড়ুন
আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না।