অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে এত চাঁদা তোলেন, জনকল্যানে ব্যয় করেছেন ?

প্রশ্ন বীর বাহাদুর এর

অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে এত চাঁদা তোলেন, কোনদিন তো শুনিনি এই অর্থ পাহাড় ধস বা বন্যায় আক্রান্ত অথবা গরীব দুঃখিদের পিছনে বা জনকল্যানে ব্যয় করেছেন? আজ শনিবার (১৭ আগস্ট) রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের হলরুমে উন্নয়ন বোর্ডের আয়োজনে পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে টেকসই পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনা বিষয়ক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পার্বত্য জেলায় সরকারের নেয়া বিভিন্ন জনহিতকর কাজে বাঁধাদানকারী আঞ্চলিক দলগুলোর উদ্দেশ্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি এসব কথা বলেন।

পার্বত্য মন্ত্রী বীর বাহাদুর পাহাড়ের সন্ত্রাসীদের কোন ছাড় দেওয়া হবেনা বলে উল্লেখ করে বলেন, ১৯৯৭ সালের ২রা ডিসেম্বর পার্বত্য শান্তিচুক্তির পর যেসব অস্ত্রের কথা শোনা যাচ্ছে, সবই অবৈধ এবং যারা ব্যবহার করছে, তারা সন্ত্রাসী। সুতরাং কোন ছাড় নয়।

মন্ত্রী বীর বাহাদুর আরো বলেন,পার্বত্যাঞ্চলে পানিসংকট তীব্র পর্যায়ে চলে যাচ্ছে। এখন থেকে উদ্যোগী না হলে, আমাদের জন্য ভয়াবহ দিন অপেক্ষা করছে। সুতরাং নিজেদেরকে বাঁচাতে হলে,এখন থেকে সচেতন হতে হবে। বনায়নে মনোযোগী হতে হবে, বনাঞ্চল সংরক্ষনে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।

সেমিনারে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড চেয়ারম্যান নব বিক্রম কিশোর ত্রিপুরার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে গেস্ট অব অনার ছিলেন রাঙ্গামাটি আসনের এমপি দীপংকর তালুকদার।

এসময় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব কবির বিন আনোয়ার,পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের সচিব মোঃ মেজবাহুল ইসলাম,রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বৃষ কেতু চাকমা, খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কংজরী চৌধুরী,রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসক একে এম মামুনুর রশিদ,পুলিশ সুপার মোঃ আলমগীর কবীর। সেমিনারে পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে টেকসই পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনার উপর প্রবন্ধ পাঠ করেন, ইসিমোড এর ওয়াটার এন্ড এয়ার ম্যনেজমেন্ট এর টিম লিডার সঞ্জীব কুমার বুচার ও সিইজিআইএস রিমোট সেনসিং ডিভিশন ডিরেক্টর মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম।

সেমিনারে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে উর্ধ্বতন কর্মকর্তা ছাড়াও জনপ্রতিনিধি,মিডিয়াকর্মী, এনজিও প্রতিনিধি ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধি উপস্থিতি ছিলেন।

আরও পড়ুন

আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না।