আমতলী উচ্চ বিদ্যালয়ের সুবর্ণজয়ন্তী ও পুনর্মিলনী হবে সেপ্টেম্বরে

NewsDetails_01

খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আমতলী উচ্চ বিদ্যালয়ে ৫০ বছর পূর্তী উপলক্ষ্যে স্বনামধন্য এ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটির সুবর্ণজয়ন্তীর জমকালো অনুষ্ঠান আগামী সেপ্টেম্বর মাসে বর্তমান ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মিলন মেলা বসতে চলেছে।

নানা আয়োজনে মুখর করে প্রাক্তন-নতুনদের অনন্য স্মরণীয় দিন হিসেবে উপহার দেওয়ার জোর চেষ্টা চালাচ্ছেন আয়োজক কর্তৃপক্ষ। প্রথমবারের মতো এ পুনর্মীলনীতে সারাদেশে ছড়িয়ে থাকা অন্তত হাজারের বেশি শিক্ষার্থী এতে অংশ নিবেন বলে প্রত্যাশা করছেন আয়োজকরা। ইতিমধ্যে সকলের সম্মতিক্রমে সুবর্ণজয়ন্তী ও পুনর্মিলনীর উদযাপন কমিটি করা হয়েছে।

রেজিষ্ট্রেশন ফি জনপ্রতি ৫শত ৯০ টাকা। সস্ত্রীক ১১৮০টাকা। সন্তান জনপ্রতি ৪০০ টাকা। এক্ষেত্রে সবাই আকর্ষনীয় লোগো ও ডিজাইনের ১টি টি শার্ট পাবে। একই সাথে ১টা ক্যাপ, লাঞ্চ, এবং একটা প্রোগ্রাম আইডি তো থাকছেই।

৫জুন থেকে অফিশিয়ালি রেজিষ্ট্রেশন শুরু হবে। অনেকে মনে করছেন স্কুল-কলেজ জীবনের হারিয়ে যাওয়া বাঁধভাঙা বন্ধুত্বের এক একটা পরিচ্ছেদকে আরেকবার ঝালিয়ে নেওয়ার সুযোগ মিলবে এই আয়োজনে।

NewsDetails_03

আয়োজক কমিটির সহ- সভাপতি চাইথোয়াই মারমা বলেন, আমাদের প্রাণপ্রিয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষে বিদ্যালয়ের প্রাক্তন এবং বর্তমান সকল শিক্ষার্থীর আনন্দঘন উপস্থিতির মাধ্যমে আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর প্রথমবারের মতো জাঁকজমকপূর্ণ এক পুনর্মিলনী হতে যাচ্ছে। আমি সবাইকে অনুরোধ করবো রেজিষ্ট্রেশনের মাধ্যমে পুনর্মিলনীতে অংশগ্রহণ করে অভূতপূর্ব এক আনন্দঘন পরিবেশে শামিল হতে।

আয়োজক কমিটির সহ- সভাপতি ও আমতলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক মো.আব্দুল বাকের ফরহাদ বলেন, ১৬ ই সেপ্টেম্বর সকালে এক আনন্দ র‍্যালির মাধ্যমে দিনটির শুভ সূচনা করা হবে। এরপর সারাদিন আলোচনা সভা, স্মৃতিচারণ, মধ্যাহ্ন ভোজ ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে শেষ হবে এ আয়োজন। সকল ধরণের প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে আয়োজক কমিটিকে সাহায্য করছে বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদ।

এই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের এই পুনর্মীলনীর এই দিনটিকে বড় স্মৃতি হিসেবে উপহার দিতে চেয়ে আয়োজক কমিটির সাধারন সম্পাদক আমতলী ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের সদস্য মো. জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, আমরা মিলিত হব আমাদের প্রাণের বিদ্যাপীঠে, যেখানে ফেলে এসেছিলাম আমাদের কৈশোরের কতশত মধুর স্মৃতি, যে মাটির গন্ধের উন্মাদনা আজও খুঁজে পাই আমার রক্তে, যেখানে আমার -আপনার শেকড়।

আয়োজক কমিটির সহ-সভাপতি ও মাটিরাঙ্গা ডিগ্রী কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞানের প্রভাষক মো.আব্দুল হামিদ বলেন, আমিও এই বিদ্যালয়ের একজন প্রাক্তন শিক্ষার্থী। স্বাধীনতা উত্তর সময়ে প্রতিষ্ঠিত এই বিদ্যালয়টি শুরু থেকেই এই অঞ্চলের মানুষদের আলোকিত করতে ভূমিকা রেখে চলছে এবং আমি চাই আগামী দিনগুলোতেও সুনামের সাথে শিক্ষা সেবা দিয়ে যাবে।

প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও পুনর্মিলনী আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক আমতলী উচ্চ বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও আমতলী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুল গনি বলেন, আমরা গত কয়েক বছর ধরেই এই প্রাক্তনদের মিলিত করার চিন্তা করে আসছি, অবশেষে সেই মাহেন্দ্রক্ষণ আসছে। আমার বিশ্বাস সবাইকে ফেলে যাওয়া শৈশব একদিনের জন্য হলে ফিরিয়ে দিতে পারবো আমরা।

আরও পড়ুন