ঈদে হতাশ রাঙামাটির পর্যটন খাত

প্রতি বছরের অন্যান্য ঈদে পর্যটকদের পদচারণায় মুখর থাকতো রাঙামাটির পর্যটন কেন্দ্রগুলো। তবে, এ বছরের পবিত্র ইদুল আজহার ছুটিতেও ছিল না আশানুরুপ পর্যটকের সংখ্যা। ফলে, পুর্ব প্রস্তুতি নিয়ে রাখা পর্যটন সংশ্লিষ্ট সবাই কাঙ্খিত পর্যটক না আসায় ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন।

গত দুই বছর ঈদে মহামারী করোনার কারণে পর্যটন কেন্দ্রগুলো বন্ধ ছিল। এরপর স্পটগুলো শিথিল হওয়ার পর ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্ন দেখেন ব্যবসায়ীরা। এবার ঈদের ছুটিতে গত দুই বছরের ক্ষতি কাটিয়ে উঠার স্বপ্ন দেখলেও তা আর বাস্তবে রুপ নেয়নি।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এবারের ঈদের ছুটিতে শহরের পর্যটন মোটেলের ঝুলন্ত সেতু, বড়গাঙ, বেড়াইন্নে, আরণ্যক, পলওয়েল পার্ক থেকে শুরু করে সাজেক ভ্যালীতে পর্যটকের সংখ্যা ছিল সীমিত। আবাসিক হোটেলগুলোতে এবার তুলনামূলক কম কক্ষ বুকিং ছিল। এ নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেছেন হোটেল-মোটেল ব্যবসায়ীরা। তাদের মতে, রাঙামাটির পর্যটনকে ঢেলে সাজাতে না পারলে রাঙামাটিতে পর্যটক সংকট দীর্ঘ হবে। মুখ থুবড়ে পড়তে পারে এ খাতটি।

শহরের মতি মহল আবাসিক হোটেলের মালিক শফিউল আজম বলেন, গতবারের তুলনায় এ বছর বুকিং অনেক কম। মাত্র ৬০ শতাংশ হোটেল-মোটেল বুকিং হয়েছে।

সিএনজি চালক মো: রহিম বলেন, আশা করছিলাম এবার ঈদে টুরিস্ট বেশি হবে। আয়-রোজগার ভাল হবে। কিন্তু, এবার টুরিস্ট কম আসায় আয় রোজগার কম হয়েছে।

রাঙামাটি পর্যটন নৌযান ঘাট ম্যানেজার মো: রমজান আলী জানান, অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার ঈদুল আযহার ছুটিতে ট্যুরিস্ট তেমন ছিল না। কিছু সংখ্যক দেশী-বিদেশী ট্যুরিস্ট রাঙামাটিতে ঘুরতে আসছে। তারা কাপ্তাই হ্রদ ও শুভলং ঝর্ণায় ঘুরতে যাচ্ছে।

রাঙামাটি পর্যটন কর্পোরেশন এর ব্যবস্থাপক, সৃজন বিকাশ বড়ুয়া বলেন, রাঙামাটি পর্যটন কর্পোরেশনের ব্যবস্থাপক বর্তমানে মোটেলে ৭০-৮০ ভাগ রুম বুকিং রয়েছে। তবে, ট্যুরিস্টদের আগমন আশানুরুপ ছিল না।

আরও পড়ুন
আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না।