এখনো বিচ্ছিন্ন খাগড়াছড়ি-রাঙামাটি সড়ক

পাহাড়ধসের এক মাস পেরিয়ে গেলেও খাগড়াছড়ির সঙ্গে রাঙামাটির সড়ক যোগাযোগ এখনো বিচ্ছিন্ন। ভারী বর্ষণে আবারো ধসের আশঙ্কায় শিশুদের কয়েকটি স্কুলও বন্ধ।

পর্যটকদের প্রিয় এই সেই পথ। পাহাড়ের মানুষের চলাচলেরও প্রধান সহায়। পাহাড়ধসে এখন ক্ষত-বিক্ষত, করুণ। রাঙামাটি-খাগড়াছড়ি সড়কের অন্তত ৪০ স্থান এভাবেই ভেঙে পড়েছে। কোথাও কোথাও শত ফুট গভীর ধস। জীবন-জীবিকার টানে, তবু পাড়ি দিতে হয় এই ভয়ঙ্কর পথ।

সড়ক পথের যাত্রীরা বলেন, আগে একবারে যেতাম, এখন ভেঙে ভেঙে যেতে হয়। অনেক কষ্ট হয়। বিশেষ করে মহিলাদের আরও বেশী কষ্ট হয়। বিকল্প হিসেবে খাগড়াছড়ির মহালছড়ি থেকে রাঙামাটি নৌপথে যাতায়াত শুরু হয়েছে। এই বর্ষা দিনে, তাতে রয়েছে জীবনের ঝুঁকি।
নৌপথের যাত্রী বলেন, সড়ক বন্ধ তাই নৌপথে যেতে হয়। এতে ভাড়া বেশি দিতে হয়। সময়ও লাগে বেশী। তাছাড়া নৌপথে ঝুঁকি নিয়ে চলতে হয়।

অবশ্য এবার আশার কথা বলছেন সড়ক বিভাগের কর্মকর্তারা। খাগড়াছড়ি সওজ নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ মোছলেহউদ্দীন চৌধুরী বলেন, কাজ চলছে। দ্রুতই রাস্তা ঠিক হবে।

থেমে থেমে চলছে ভারী বর্ষণ। আবারো পাহাড়ধসের শঙ্কা রয়েই গেছে। দীঘিনালার পাহাড় চূড়ায় অবস্থিত মায়াফা পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও চমড়াছড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায়, বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে বিদ্যালয় দুটি।

তবে, শিক্ষক এবং প্রশাসনের আশা, বৃষ্টি কমলেই পাঠদান শুরু হবে। পুষিয়ে নেয়া হবে ছাত্র-ছাত্রীদের পিছিয়ে পড়ার ক্ষতি।

আরও পড়ুন
আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না।