করোনা রোগী নেই : বান্দরবানে সংক্রামন ঠেকাতে কঠোর প্রশাসন

বান্দরবানে করোনা সন্দেহে ৩২ জনের নমুনা পরিক্ষায় নেগেটিভ প্রতিবেদন আসায় আপাদত জেলায় কোন করোনা আক্রান্ত রোগী নেই। তবে বিষয়টি স্বস্থির হলেও যেকোন সময় ছড়িয়ে পড়তে পারে করোনা। তাই করোনা সংক্রামন ঠেকাতে বান্দরবানে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে সড়কে কাজ করছে সেনাবাহিনীর সদস্যরা। জনসমাবেশ প্রতিরোধ, অপ্রয়োজনে সড়কে ঘোরাফেরা, স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলা এবং সামজিক ও শারিরীক দূরত্ব বজায় রেখে সড়কে চলাচল করতে জনসাধারণকে বিভিন্ন দিক নিদের্শনা প্রদান করছে প্রশাসন। বান্দরবানের বিভিন্ন পয়েন্টে পয়েন্টে সেনা সদস্য ছাড়া ও পুলিশের সদস্যরা কাজ করছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আইন অমান্য করে সড়কে জমায়েত, নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে দোকান খোলা রাখা এবং সামাজিক দূরত্ব না মানা ব্যত্তিদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। আর এই নির্দেশনা অমান্য করলে আর্থিক দন্ডের মাসুল গুনতে হতে পারে আপনাকেও।

বান্দরবানের সদর উপজেলা ভূমি কর্মকর্তা (নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট) শাহীনুর আক্তার বলেন, করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সর্বত্র মাঠে অবস্থান করে কাজ করে যাচ্ছি। আমরা চাই জনগণ সচেতন হোক, নিরাপদে বাসায় থেকে এই মহামারি থেকে নিজেকে মুক্ত রাখুক।

বান্দরবানের সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো:হাবিবুল হাসান বলেন,জেলা প্রশাসন, উপজেলা প্রশাসন, পুলিশও সেনাবাহিনীর সদস্যরা দিন- রাত বিভিন্ন পয়েন্টে অভিযান চালাচ্ছে এবং আইন অমান্যকারীদের সতর্ক করার পাশাপাশি জরিমানা ও আদায় করছে ।

এদিকে এখনো বান্দরবানে এখনো কোন করোনা রোগী সনাক্ত না হলে ও বিভিন্ন সময়ে বিদেশ থেকে আসা প্রাতিষ্টানিক কোয়ারেন্টাইন ও হোম কোয়ারেন্টাইনে অবস্থান করা ৩২ জনের দেহে করোনা আছে কিনা তা পরীক্ষা করার জন্য রক্তের নমুনা কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম হাসপাতালে পরীক্ষা করার জন্য পাঠানো হলে বান্দরবানে কারো শরীরের রক্তে করোনা ভাইরাসের লক্ষণ পাওয়া যায়নি বলে বান্দরবানের সিভিল সার্জন ডা. অংসুই প্রু মারমা জানান।

বান্দরবানের সিভিল সার্জন ডা. অংসুইপ্রু মারমা বলেন,বান্দরবানের জনসাধারণ অনেকটাই সচেতন, তাই আমরা এখনো ভালো আছি। আমরা যদি সবাই আরেকটু বেশি সচেতন হই, তাহলে এই করোনা ভাইরাস মহামারি আকারে ছড়াতে পারবে না। তিনি আরো বলেন, আমাদের সকলকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে এবং ঘরে অবস্থান করতে হবে।

বান্দরবান স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য মতে, বান্দরবান জেলার বিভিন্ন উপজেলায় ১৮৩ জনকে এই পর্যন্ত কোয়ারেইন্টানে রাখা হয়েছিল, তার মধ্যে বর্তমানে হোম কোয়ারেইন্টানে রয়েছে ৬৩ জন, আর প্রাতিষ্ঠানি কোয়ারেইন্টানে আজ কেউ নেই।

আরও পড়ুন

আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না।