কাপ্তাইয়ে অভিযান : বন্ধ করে দেয়া হলো ২ ডায়াগনস্টিক সেন্টার

কাপ্তাইয়ে অভিযান পরিচালনা করে ভ্রাম্যমান আদালত
ছয় ফুট বাই আট ফুট একটি কক্ষে ডায়াগনস্টিক সেন্টার, জনবল মাত্র ১ জন। যিনি টেস্ট করান, আবার তিনি ডায়াগনস্টিক সেন্টারের সব কাজ নিজে করেন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মানুযায়ী রিপোর্টে কনসালট্যান্ট এর স্বাক্ষর থাকার নিয়ম থাকলেও, কিন্তু এই সব কিছু নেই, নেই কোন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অনুমোদন, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ, আবার রিপোর্ট এর উল্টা পাশে আছে প্রেসক্রিপশন। এই ভাবে বছরের পর বছর চলছে কাপ্তাই এর ব্যবসার প্রানকেন্দ্র নতুনবাজার এর কাপ্তাই ডায়াগনস্টিক সেন্টার এবং মেডিকম ডায়াগনস্টিক সেন্টার। এই সব অভিযোগে আজ রবিবার সকালে রাঙামাটির কাপ্তাই নতুনবাজার এ ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে সিলগালা করে দেওয়া হয় এই দুটি ডায়াগনস্টিক সেন্টার।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রুহুল আমীন এই ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন। এই সময় কাপ্তাই ফাঁড়ির এস আই খোরশেদ আলম, কাপ্তাই বনিক কল্যান সমিতির সভাপতি সাগর চক্রবর্ত্তী উপস্থিত ছিলেন। এর পর ভ্রাম্যমান আদালত অভিযান চালায় নতুনবাজার প্রদীপ সরকারের মালিকানাধীন হক মেডিকেল হলে। অভিযানে ভ্রাম্যমান আদালত হক মেডিকেল হলে দেখতে পান গরু মোটা তাজাকরন ঔষুধ,ভারতীয় ঔষুধ এবং নিন্ম মানের ঔষুধ সামগ্র বিক্রি করছে এই ফার্মেসিটি। তাৎক্ষনিক ভাবে এই ফার্মেসিটিকে ৩ হাজার টাকা জরিমানা এবং সর্তক করে দেওয়া হয়। এর পর নতুনবাজার শ্যামা ফার্মেসিকে সর্তক করে দেওয়া হয়।
এদিকে অভিযানের খবর শুনে নতুনবাজার এর সব ফার্মেসি দোকান বন্ধ করে পালিয়ে যায়। অভিযানে নেতৃত্ব দেওয়া কাপ্তাই নির্বাহী কর্মকর্তা রুহুল আমীন জানান, এইভাবে জনগণের অধিকার নিয়ে স্বাস্থ্য খাতে কেউ অনিয়ম করলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবেনা।

আরও পড়ুন
আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না।