কাপ্তাই মৎস্য আহরণ করে ১৪ দিনে রাজস্ব আদায় ৭৩ লাখ টাকা

বেড়েছে রাঙামাটির কাপ্তাই মৎস্য উন্নয়ন কর্পোরেশনের জেটিঘাট মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে মৎস ব্যবসায়ীদের ব্যস্ততা। প্রতিদিন এই মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র হতে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে কাপ্তাই লেকের মাছ নিয়ে যাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। ফলে সরকার প্রতিদিন গড়ে ৩ থেকে ৪ লাখ টাকা রাজস্ব পাচ্ছেন বলেন জানালেন এই কেন্দ্রের মার্কেটিং সহকারী আব্দুল সালাম সরকার।

গত মঙ্গলবার এই মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে গিয়ে কথা হয়, কাপ্তাই উপজেলা মৎস্যজীবি লীগের সভাপতি মোস্তাক আহমেদ এর সাথে। তিনি জানান, নিষেধাজ্ঞা শেষ হবার পর গত ১ সেপ্টেম্বর হতে কাপ্তাই লেকে মাছ ধরা শুরু হয়। প্রতিদিন সকাল ৭ টা হতে রাত অবধি সরব থাকে এই মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র। লংগদু উপজেলার মাইনি মুখ ও কাট্রলি বিল, বরকলের সুভলং, বিলাইছড়ি উপজেলার বিভিন্ন প্রান্ত হতে জেলেরা মাছ ধরে ইঞ্জিন চালিত বোটে করে এই জেটিঘাটে নিয়ে আসেন। এইখান হতে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে মৎস্য বেপারীরা মাছ নিয়ে যাচ্ছেন।

মৎস্য ব্যবসায়ী শাহাবুদ্দিন, জসিম সওদাগর ও নুরুল হক সওদাগর জানান, সাধারণত আইল মাছ, কাঁচকি মাছ, চাপিলা মাছ, পাবদা মাছ এবং বাচা মাছ এই মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে জেলেরা নিয়ে আসেন।

এই কেন্দ্রে গত ১৬ বছর ধরে ব্যবসা করছেন শরিয়তপুরের কালাম সওদাগর। তিনি জানালেন, প্রতিদিন তিনি এই কেন্দ্র হতে মাছ কিনে বরফ দিয়ে ট্রাকে করে উত্তরবঙ্গে পাঠায়।

কাপ্তাই মৎস্য উন্নয়ন কর্পোরেশন এর ব্যবস্হাপক মোঃ মাসুদ আলম জানান, কাপ্তাই লেকে ৪ মাস মাছ ধরা নিষেধাজ্ঞা থাকার পর গত ১ সেপ্টেম্বর হতে কাপ্তাই লেকে মাছ ধরা শুরু হয়েছে। গত ১ তারিখ হতে ১৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এই মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে জেলেরা ৪ শত মেট্রিকটন মাছ বিক্রি করেছে, ফলে সরকার এই কেন্দ্র হতে ৭৩ লাখ টাকা রাজস্ব আদায় করেছে।

তিনি আরোও জানান, এই মৌসুমে কাপ্তাই লেকে ছোট জাতের মাছের পাশাপাশি জেলেদের জালে বড় মাছ ধরা পড়ছে, ফলে এই বছর রাজস্ব আদায় গত বছর হতে বেশী হবার সম্ভাবনা রয়েছে।

আরও পড়ুন
আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না।