কেপিএম এর এমডির অপসারণ দাবি

বেসরকারি টেলিভিশন যমুনা টিভিতে গত ২৫ই সেপ্টেম্বর কাপ্তাই উপজেলা চেয়ারম্যান মো. মফিজুল হক ও চন্দ্রঘোনা ইউপি চেয়ারম্যান আনোয়ারুল ইসলাম চৌধুরী বেবি’কে মাদকাসক্ত আখ্যায়িত করে ‘তাদের (দুই চেয়ারম্যান) বাড়িতে মাদকের আখড়া বসানো হয়’ মন্তব্য করায় প্রতিবাদ জানিয়ে প্রতিষ্ঠানটির এমডির বিরুদ্ধে কাপ্তাই প্রেস ক্লাবে আজ শুক্রবার (২ অক্টবর) সকালে সাংবাদিক সম্মেলন করেন তারা।

সাংবাদিক সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন, কাপ্তাই উপজেলা চেয়ারম্যান মো. মফিজুল হক। বক্তব্য রাখেন, চন্দ্রঘোনা ইউপি চেয়ারম্যান আনোয়ারুল ইসলাম চৌধুরী বেবি। আরো উপস্থিত ছিলেন, রাঙামাটি জেলা আ.লীগের শ্রম বিষয়ক সম্পাদক মো. হানিফ, কাপ্তাই উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক ত্রান ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক হানিফ বাবু, সাবেক রাঙামাটি জেলা পরিষদ সদস্য কাপ্তাই আওয়ামী পেশাজীবি লীগের আহবায়ক প্রকৌশলী রুবায়েত আক্তারসহ স্হানীয় জনপ্রতিনিধিরা ।

কাপ্তাই উপজেলা চেয়ারম্যান মো. মফিজুল হক বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মহান সংসদে বলেছেন, কেপিএম মিলকে বাঁচানো হবে। গত অর্থ বছরে ৫৪কোটি টাকাও বরাদ্ধ দেওয়া হয় কেপিএমকে। অথচ কেপিএম এমডি বলেছেন, মিলটি বন্ধ হয়ে যাবে। মিলটি বন্ধ করতে নানান পায়তারাও করছেন তিনি। বন্ধ করেছেন প্রতিষ্ঠানের পাল্প মেশিনসহ নানান যন্ত্রাংশ। সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করতে সর্বশেষ যমুনা টিভির প্রতিবেদনে জনপ্রতিনিধিদের নামে মিথ্যা, ভিত্তিহীন কুরুচিপূর্ণ অসত্য বক্তব্য প্রদান করেছেন। আমরা তার প্রতিবাদ জানাই। আমরা চাই কেপিএম বাঁচুক, আবারও ঘুরে দাঁড়াক।

চন্দ্রঘোনা ইউপি চেয়ারম্যান আনোয়ারুল ইসলাম চৌধুরী বেবি বলেন, কেপিএম চন্দ্রঘোনা ইউনিয়নে অবস্থিত। সকল প্রতিষ্ঠানকে সরকারি রাজস্ব প্রদানের বাধ্যবাধকতা থাকলেও গত কয়েক বছর যাবত তিনি প্রায় ১৪লক্ষ টাকার টেক্স বকেয়া করেছেন। ফলে ইউনিয়নের কার্যক্রম প্রায় বন্ধের পথে। টাকা না দিয়ে উল্টো আমাকে হেয়প্রতিপন্ন করতে আমার বিরুদ্ধে মাদক সহ নানান কুৎসা রটনা করে মিডিয়াতে বক্তব্য দেন তিনি। তার এমন বক্তব্যের প্রতিবাদ জানাই।

আরও পড়ুন

আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না।