কেমন আছে নাইক্ষ্যংছড়ির সেই করোনা রোগী ?

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির তুমব্রু এলাকার করোনা সনাক্ত ৫৯ বয়সী বৃদ্ধ কেমন আছেন নাইক্ষ্যংছড়ি সদর হাসপাতালের আইসোলেশন ইউনিটে।

আজ ২০ এপ্রিল সোমবার দুপুরে নাইক্ষ্যংছড়ি সদর হাসপাতালের স্বাস্থ্য ও পরিবার ও পরিকল্পনা কর্মকর্তা (টি,এস) ডা: আবু জাফর মো, ছলিম জানিয়েছেন, উপজেলার তুমব্রু এলাকার বৃদ্ধ আবু ছিদ্দিকের করোনা সনাক্ত হলেও তার শরীরে কোন করোনার লক্ষণ দেখা যায়নি। আক্রান্ত এই রোগীর অবস্থায়ই স্থিতিশীল, সে ভালো আছেন।

গত ১৮ এপ্রিল শনিবার আবু ছিদ্দিকের স্ত্রীসহ তার পরিবার ও সংস্পর্শ ব্যক্তিদের নমুনা নেওয়া কথা ছিলো ২০ জনের। ওইদিন নমুনা নেওয়া হয়েছিলো স্ত্রীসহ ১০জন। ওই ১০ জনের ফলাফল ছিলো নেগেটিভ। পরদিন ১৯ এপ্রিল রবিবার ওই পরিবারের আরও ৭জনের নমুনা সংগ্রহ করে সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর) কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এই ৭ জনের নমুনা সংগ্রহের রিপোর্ট গুলো এখনো আসেনি।

আরো জানা গেছে, ৭ জনের পাঠানো রিপোর্টের ফলাফল কি আসে তার অপেক্ষায় আছি। রিপোর্টের উপর নির্ভর করে পরবর্তীতে করোনা সনাক্ত রোগী বৃদ্ধকে ফের নমুনা সংগ্রহ করা হবে কিনা বা তাকে এই আইসোলেশনে রাখা যাবে কিনা সব কিছু নির্ভর করছে রিপোর্টের উপর, তবে রোগী এখনো সাভাবিক অবস্থায় রয়েছেন।

স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানান, করোনা রোগী আইসোলেশনে স্বাভাবিক অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন। তার শরীরে কোন ধরনের করোনার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। মোবাইলের মাধ্যমে দায়িত্বরত চিকিৎসককে নিয়মিত তার শরীরের অবস্থা জানান। নিয়মিত খাওয়া-দাওয়া করছেন তিনি।

আর এদিকে নাইক্ষ্যংছড়ি সদর হাসপাতালের আইসোলেশনে করোনা রোগী থাকার শর্তেও ওই হাসপাতালের কর্মচারীরা নিয়ম না মেনে সাধারণ মানুষের সাথে সংস্পর্শ করার অভিযোগ পাওয়া যায়। কর্মচারীদেরকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বাউন্ডারীর বাহির চলাফেরা না করার দাবী জানিয়েছেন এলাকার জনসাধারণ।

উল্লেখ্য,করোনা সনাক্ত রোগী নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম ইউনিয়নের তুমব্রু এলাকার কোলালপাড়াস্থ কোনাপাড়ার বাসিন্দা। তার শরীরে করোনা ধরা পড়ে গত ১৬ এপ্রিল। ওই দিনেই তার বাড়ীসহ আশেপাশে সংস্পর্শ ব্যক্তিদের ৩৬ বাড়ী লকডাউন কার্যাক্রমের নির্দেশ দেন উপজেলা প্রশাসন।

আরও পড়ুন

আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না।