খাগড়াছড়িতে কৃষকের ধান কেটে ঘরে পৌঁছে দিচ্ছে ছাত্রলীগ

কৃষি ক্যালেন্ডার অনুসারে এপ্রিলের শেষ ভাগ ও মে এর প্রথম সপ্তাহ থেকে বোরো ধান কাটার মৌসুম। তবে এ বছর করোনার প্রভাবে শ্রমিক সংকট ও আবহাওয়া সতর্ক বার্তায় বন্যার পূর্বাভাস থাকায় দুশ্চিন্তায় কৃষকরা। তবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বারবার কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তার বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে আসছেন। সে দিক বিবেচনায় দেশের অনেক অঞ্চলে সরকারের পক্ষ থেকে ধান কাটতে শ্রমিকের যোগান দেয়া হচ্ছে। তবে ভিন্ন দৃশ্যপট পাহাড়ে। কৃষকের পাশে শ্রমিক নয় দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কর্মীরা।

খাগড়াছড়ির পানছড়ি উপজেলায় অনেক কৃষকের মাঠের ধান কেটে বাড়ি পৌঁছে দিচ্ছে ছাত্রলীগের কর্মীরা। করোনা পরিস্থিতির এতো খারাপ সময়ের মধ্যো ইতিবাচক এ কর্মযজ্ঞে সাধুবাদ মিলছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।

আজ বুধবার (২২ এপ্রিল) সকাল থেকে পানছড়ি উপজেলা ছাত্রলীগের উদ্যোগে শুরু হয়েছে স্বেচ্ছাশ্রমে ধান কাটা। উপজেলার মরাটিলা এলাকার মাঠে প্রথম দিনে ৮০ শতক জমির ধান কেটে কৃষকের ঘরে তুলে দেয়া হয়েছে।

পানছড়ি ছাত্রলীগের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম জানান, কোন কৃষকের যেন এক পোয়া ধান মাঠে নষ্ট না হয় সেদিকে সজাগ থাকবে পানছড়ি ছাত্রলীগ। কেউ যদি শ্রমিকের অভাবে ধান কাটতে না পারে আমাদের জানালে আমরা স্বেচ্ছাশ্রমে কৃষকের পাশে দাঁড়াবো। প্রথমদিনে মরাটিলায় ২৫ জন স্বেচ্ছাশ্রমে ৮০ শতক জমির ধান কেটে কৃষকের ঘরে তুলে দিয়েছে। এর ধারাবাহিতা অব্যাহত থাকবে।

খাগড়াছড়ি জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের তথ্যমতে, খাগড়াছড়িতে এ মৌসুমে বোরোর চাষ হয়েছে ১১ হাজার ৩ শ ৮৯ হেক্টর জমিতে। পানছড়িতে ১ হাজার ৬ শ ৬৫ হেক্টর জমিতে।

আরও পড়ুন
Loading...