খাগড়াছড়িতে চাঁদাবাজীতে অতিষ্ঠ হয়ে খাদ্য পরিবহন বন্ধ

খাগড়াছড়িতে আঞ্চলিক সংগঠনগুলোর মাত্রাতিরিক্ত চাঁদাবাজি ও পরিবহন সংশ্লিষ্টদের হয়রানির প্রতিবাদে দীঘিনালা, পানছড়ি ও মহালছড়ি উপজেলার খাদ্য গুদামে পরিবহন বন্ধ রেখেছে ঠিকাদাররা। গত ১৮ ফেব্রুয়ারী থেকে খাদ্য পরিবহন সরবরাহকারী ঠিকাদারদের এ ধর্মঘট চললেও স্থানীয় প্রশাসন এখনও কোনো ব্যবস্থা নিতে পারেনি। এতে করে এসব খাদ্য গুদাম সংশ্লিষ্ট বাঙ্গালী ও পাহাড়ী গুচ্ছগ্রামের রেশন কার্ডধারীরা চলতি মাসে খাদ্যশস্য নিয়ে অনিশ্চিয়তার মধ্যে পড়েছেন।

খাদ্য পরিবহন ঠিকাদাররা জানান, খাগড়াছড়ির দীঘিনালা, মহালছড়ি, পানছড়ি সড়কে আঞ্চলিক সংগঠনগুলোর নামে বেপরোয়া ভাবে চাঁদাবাজি চলছে। চাঁদার টাকা না পেয়ে গাড়ির কাগজপত্র, চালান ছিনিয়ে নেওয়া ও শ্রমিকদের মারধর করা হচ্ছে। এসব বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনকে লিখিত ভাবে জানানো হয়েছে। এর সমাধান না হওয়া পর্যন্ত তারা খাদ্য পরিবহন বন্ধ রাখার ধর্মঘট পালন করে যাবে।

দীঘিনালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ উল্লাহ জানান, খাদ্য পরিবহন ঠিকাদারদের লিখিত অভিযোগ পেয়ে এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে বৈঠক করা হয়েছে। দ্রুত অচলাবস্থা নিরসনে উদ্যোগ নেয়া হবে বলে জানান তিনি।

খাগড়াছড়ির দীঘিনালা, পানছড়ি ও মহালছড়ি উপজেলায় খাদ্য গুদাম রয়েছে ৬ টি। যার প্রত্যেকটিতে প্রতি মাসে চাল ও গমের গড় চাহিদা রয়েছে ৫ শ থেকে ৭ শ মেট্টিক টন। দীঘিনালা সড়কে অচলাবস্থার কারণে রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি ও লংগদু উপজেলায়ও খাদ্য পরিবহন বন্ধ রয়েছে।

আরও পড়ুন
আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না।