খাগড়াছড়িতে ‘জাতীয় শোক দিবস’ উপলক্ষে আওয়ামী লীগের আলোচনা সভা

খাগড়াছড়িতে ‘জাতীয় শোক দিবস’ উপলক্ষে সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের আলোচনা সভা
‘জাতীয় শোক দিবস’ উপলক্ষে খাগড়াছড়ি সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের উদ্দ্যেগে কর্মসূচির অংশ হিসেবে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে আলোচনা সভার সভাপতিত্ব করে খাগড়াছড়ি সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও পার্বত্য জেলা পরিষদ সদস্য খোকনেশ্ব ত্রিপুরা।
আজ শুক্রবার বিকেলে খাগড়াছড়ি পৌর টাউন হল প্রাঙ্গনে বঙ্গবন্ধু চেতনা মঞ্চে অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে পৌর টাউন হল থেকে শোক মিছিল বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে বঙ্গবন্ধু চেতনা মঞ্চে গিয়ে শেষ হয়। পরে বঙ্গবন্ধু প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য অর্পণের করেন।
বঙ্গবন্ধুসহ ১৫ অগাস্টের সকল শহীদের আত্মার মাগফেরাত ও বঙ্গবন্ধু পরিবারের জীবিত সদস্যদের দীর্ঘায়ু কামনা করে শুরুতেই মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্টানে শোক প্রস্তব পাঠ করেন খাগড়াছড়ি সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাধক চন্দন কুমার দে, সঞ্চলানায় ছিলেন সহ- সভাপতি মোঃ নুরুল আজম।
বক্তারা বলেন ১৫ অগাস্ট হত্যাকান্ডের নায়ক ছিলেন জিয়াউর রহমান। এটি এখন দিবালোকের মত সত্য। কারণ, পঁচাত্তরের ১৫ অগাস্টের নৃশংসতার পরের ঘটনাবলীতে সবকিছু স্পষ্ট হয়েছে যে জিয়াউর রহমানের নির্দেশেই সবকিছু হয়েছে। আজ দেখেন ৭৫ এর পর থেকে পার্বত্য এলাকায় অশান্তির বিচ বপন করছিলেন জিয়াউর রহমান, ৯৬ সালে আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় এসে ৯৭ সালে ২ ডিসেম্বর শান্তিচুক্তি করে পার্বত্য বাসীর কল্যাণের করছিল।পরবর্তী সরকার বিএনপি ও জামাতা মিলে ঠিক ২০০১ সালে খাগড়াছড়িতে আওয়ামীলীগ নেতাকর্মী শূন্য নেমেছিল বিএনপি নেতা ওয়াদুদ ভ’ইয়া।তখন আমরা ২১ জন নেতাকর্মীকে হারিয়েছি।
সকলকে অতন্দ্র প্রহরীর ভূমিকায় অবতীর্ণ হবার আহবান জানিয়ে বলেন,আগষ্ঠ মাস আসলে বাংলাদেশে এক এক বছর একটা দূর্যোগ নিয়ে আসে। এবার আসলো নিরাপথ সড়ক চাই, নয় দফা দাবী নিয়ে। “একাত্তরের পরাজিত শত্রুরা এখনও নানা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। দেশ ও বিদেশে ওদের নেটওয়ার্ক রয়েছে। এগুলোকে গুড়িয়ে দিতে হবে একাত্তরের চেতনায় বঙ্গবন্ধুর আদর্শে সৈনিকদের ঐক্যবদ্ধ ভাবে সজাগ থাকতে হবে।
সামনের নির্বাচন নিয়ে খাগড়াছড়ি জেলা আওয়ামী লীগের কোন বিরোধ নাই, অমরা এখন বর্তমান সংসদ সদস্য কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা, এমপি”র সাথে আজ ঐক্যবদ্ধ। এই বিষয়টি অনুধাবন করতে হবে সকলকে এবং সে তাগিদেই আবারও শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সরকার গঠনের জন্যে আমাদের সকল নেতাকর্মীদের “বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার যে কাজ চলছে,তা অব্যাহত রাখতেই আরেকবার শেখ হাসিনাকে আবার প্রধানমন্ত্রী করতে হবে।এবং পার্বত্য শান্তিচুক্তি বাস্তবায়নের জন্য ও বাংলাদেশকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসিদের এগিয়ে নিতে এর কোন বিকল্প নেই।
আরো বক্তব্য রাখেন খাগড়াছড়ি জেলা আওয়ামীলীগের উপদেষ্টা নুরুনব্বী চৌধুরী, সহ- সভাপতি রণ বিক্রম ত্রিপুরা, কল্যাণ মিত্র বড়ুয়া, মণির হোসেন খান, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ও পার্বত্য জেলা পরিষদ সদস্য নির্মলেন্দু চৌধুরী,খগেশ্বর ত্রিপুরা,মংক্যাচিং চৌধুরী, মংশি প্রু চৌধুরী অপু,সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ শানে আলম,আওয়ামী যুব লীগের সভাপতি যতন কুমার ত্রিপুরা, সহ-সভাপতি মেহেদী হাসান হেলাল, সাধারণ সম্পাদক কে এম ইসমাইল প্রমূখ। সদরের পাঁচ ইউনিয়নের হাজারো নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন
আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না।