খাগড়াছড়িতে ঝুঁকিপূর্ণ বসবাসরত ১৯ পরিবারকে সরানো হয়েছে

খাগড়াছড়িতে ঝুঁকিপূর্ণ বসবাস
টানা বর্ষণে খাগড়াছড়িতে ফের পাহাড় ধসের শঙ্কা দেখা দেয়ায় ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে বসবাসরত ১৯ পরিবারকে সরিয়ে আশ্রয় কেন্দ্রে নেয়া হয়েছে। সোমবার জেলার দীঘিনালা উপজেলা প্রশাসন মেরুং ও কবাখালী ইউনিয়নের ১৫ পরিবারকে সরিয়ে আশ্রয় কেন্দ্রে নিয়েছে। এর আগে মাটিরাঙা উপজেলা প্রশাসন ঝুঁকিপূর্ণে স্থানে বসবাসকারী ৪ পরিবারকে সরিয়ে মাটিরাঙা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে খোলা আশ্রয় কেন্দ্রে রেখেছে। ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে বসবাসরতদের সরে যেতে উপজেলা প্রশাসনের মাইকিং অব্যাহত রয়েছে।
টানা ৪ দিনের টানা বর্ষণে থমকে আছে জনজীবন। খাগড়াছড়ি শহরের ব্যস্ততম এলাকা শাপলা চত্ত্বরসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ এলাকা প্রায় জনমানব শুন্য। বৃষ্টি ও পাহাড় ধসের আশঙ্কায় পর্যটক না আসায় অলস সময় কাটাচ্ছে পর্যটন সংশ্লিষ্ট হাজারো পরিবহন শ্রমিক। বেকার হয়ে পড়েছে নি¤œ আয়ের মানুষ।
এদিকে, টানা বর্ষণে পাহাড়ী ঢলে খাগড়াছড়ি-মহালছড়ি আঞ্চলিক সড়কের উপর জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হওয়ায় মহালছড়ি ও রাঙামাটি জেলার সাথে খাগড়াছড়ির সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।
দীঘিনালা উপজেলা নির্বাহী অফিসার শেখ শহিদুল ইসলাম জানান, টানা বর্ষণে পাহাড় ধসের ঝুঁকিতে থাকা ১৫ পরিবারকে সরিয়ে কবাখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও রশিদনগর মাদ্রাসার আশ্রয় কেন্দ্রে নেয়া হয়েছে।
খাগড়াছড়ি পৌর মেয়র রফিকুল আলম জানান, পৌর শহরের শালবন, আর্দশ গ্রাম, কুমিল্লাটিলা, সবুজবাগ এলাকায় পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসকারীদের নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে সচেতনা সৃষ্টির লক্ষ্যে পৌর কর্তৃপক্ষ কাজ করছে। টানা বর্ষণে পৌর শহরের কয়েকটি এলাকার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার শঙ্কা থাকায় সংশ্লিষ্ট এলাকায় আশ্রয় কেন্দ্র খোলার প্রস্তুতি চলছে।

আরও পড়ুন
Loading...