খাগড়াছড়িতে পাহাড়ের ঝুঁকিতে থাকা ৩০ পরিবারকে উদ্ধার

খাগড়াছড়িতে পাহাড়ের ঝুঁকিতে থাকা পরিবারকে উদ্ধার করছে প্রশাসন
খাগড়াছড়িতে পাহাড়ের ঝুঁকিতে থাকা ৩০ পরিবারকে উদ্ধার করে নিরাপদ আশ্রয়ে পাঠিয়েছে প্রশাসন। আজ মঙ্গলবার বিকেলে খাগড়াছড়ি সদরের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, পৌরসভা ও পুলিশের পক্ষ থেকে শালবন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের উদ্ধার করা হয়। এছাড়া সকালে মাটিরাঙ্গা উপজেলার বেলছড়িতে একটি পরিত্যক্ত দোকানের উপর পাহাড় ধসে পড়ে। তবে এতে কোন ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। চারদিন ধরে বৃষ্টি অব্যাহত থাকায় খাগড়াছড়ির চেঙ্গী ও মাইনী নদীর উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢলে জেলা সদরের মুসলিমপাড়া, পেরাছড়া, গঞ্জপাড়া, গোলাবাড়িসহ বেশ কিছু গ্রাম প্লাবিত হয়ে পাচ শতাধিক পরিবার পানি বন্দী হয়ে পড়েছে।
খাগড়াছড়ি সদরে পানিবন্দী ও পাহাড় ধসের ঝুঁকিতে থাকা পরিবারদের জন্য ১২ টি আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে। এছাড়া জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে দূর্যোগ মোকাবেলায় নয় উপজেলায় ৪৫ টি আশ্রয় কেন্দ্র ও মনিটরিং সেল খোলা হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার সকালে থেকে মাইনী নদীর পানি কমে রাঙ্গামাটির লংগদু উপজেলার সাথে দীঘিনালার সড়ক যোগাযোগ স্বাভাবিক হয়েছে। রাঙ্গামাটি-খাগড়াছড়ি আভ্যন্তরীণ সড়কের মহালছড়ি চব্বিশ মাইল এলাকায় সড়কের উপর জলাবদ্ধতা হয়ে দুই ঘন্টা যান চলাচল বন্ধ ছিল।
খাগড়াছড়ির জেলা প্রশাসক মো. শহিদুল ইসলাম জানান, খাগড়াছড়ি সদরের পাহাড় ধসের ঝুঁকিতে থাকা ৩০ পরিবারকে মঙ্গলবার বিকেলে বসতবাড়ি থেকে বের করা আনা হয়েছে। তাদের মধ্যে ১৫ পরিবার শালবন এলাকায় খোলা জেলা প্রশাসনের আশ্রয়কেন্দ্রে রয়েছে। এছাড়া পানিবন্দী পাঁচ শতাধিক পরিবার জেলা সদরের বিভিন্ন আশ্রয় কেন্দ্রে রয়েছে। পৌরসভা ও জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাদের মাঝে ত্রাণ ও বিশুদ্ধ পানীয় বিতরণ করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন

আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না।