খাগড়াছড়িতে সাংবাদিকদের সাথে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের অসৌজন্যমূলক আচরণ

প্রতিমন্ত্রীর অনুষ্ঠান বর্জন

খাগড়াছড়িতে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রনণলয়ের প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরার উপস্থিতিতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের সঙ্গে একজন ম্যাজিষ্ট্রেট এর অসৌজন্যমুলক আচরনের প্রতিবাদে মন্ত্রীর অনুষ্ঠান বর্জন করেছে উপস্থিত সাংবাদিকরা।

আজ বুধবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সকালে খাগড়াছড়িতে নব নির্মিত শিল্পকলা একাডেমীর ভবনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ ঘটনা ঘটে। তাৎক্ষনিক সাংবাদিকরা অনুষ্ঠান স্থল ত্যাগ করেন এবং বাইরে এসে প্রতিবাদ করেন।

খাগড়াছড়ি প্রেস ক্লাবে সাধারণ সম্পাদক আবু তাহের জানান,‘ আমাদেরকে প্রোগ্রামে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল কিন্ত সাংবাদিকদের বসার কোন ব্যবস্থা রাখা হয়নি। প্রতিমন্ত্রীর জনসংযোগ কর্মকর্তা আলমগীর হোসেনের অনুরোধে সাংবাদিকরা আসন গ্রহণ করে। পরে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ শাকিল সাংবাদিকদের চেয়ার থেকে উঠে যেতে বলেন। আমরা অনুষ্ঠানের সংবাদ বর্জন করেছি এবং অভিযুক্ত ম্যাজিস্ট্রেট ক্ষমা না চাইলে ভবিষ্যতে জেলা প্রশাসনের কোন কর্মসূচিতে সাংবাদিকরা অংশ নিবে না এবং সংবাদ প্রচার থেকে বিরত থাকবে।’

সাংবাদিকরা অভিযোগ করেন, জেলা প্রশাসেনর পক্ষথেকে অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার জন্য সাংবাদিকদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিলো। কিন্তু অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের বসার জন্য কোন আসন রাখা হয়নি। বিষয়টি জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা এবং জেলা শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা উষানু চৌধুরীর দৃষ্টি আকর্ষন করেও কোন সুরাহা হয়নি।

তবে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিষয়টি অস্বীকার করে জানানো হয়েছে, স্বাস্থবিধি সংরক্ষণ করার কারণে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক আবু সাঈদ এবং প্রতিমন্ত্রীর জনসংযোগ কর্মকর্তার অনুরোধে সাংবাদিকরা অনুষ্ঠান কভার করেই গিয়েছেন। এবং বেশ কয়েকজন অনুষ্ঠানের শেষ পর্যন্ত উপস্থিত ছিলেন।

এই বিষয়ে জানতে চাইলে চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার কামরুল হাসান জানান ,‘বিষয়টি আমি শুনেছি। এই বিষয়ে জেলা প্রশাসকের সাথে কথা বলব। ’

এসময় খাগড়াছড়ি প্রেস ক্লাবে সহ-সভাপতি ও বাংলাদেশ প্রতিদিনের খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি জহুরুল আলম, মাছরাঙা টিভির জেলা প্রতিনিধি কানন আর্চয্য,একুশে টিভির জেলা প্রতিনিধি চিংমেপ্রু , চ্যানেল আই টেলিভিশনের আজাহার হীরা, ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশনের জেলা প্রতিনিধি ও যুগান্তর প্রতিনিধি সমির মল্লিক, প্রথম আলো জেলা প্রতিনিধি জয়ন্তী দেওয়ান, ঢাকা পোস্টের জাফর সবুজ, সংবাদ প্রতিদিনের লিটন ভট্টাচার্য, দৈনিক আজকালের খবরের জেলা প্রতিনিধি আল মামুনসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন
4 মন্তব্য
  1. Suman বলেছেন

    মন্ত্রনণলয়ের, অসৌজন্যমুলক, আচরনের, জেলা প্রশাসেনর, আকর্ষন

    একটি ছোট প্রতিবেদনে যদি ইপরোক্ত এতো ভুল শব্দ ব্যবহৃত হয়, তাহলে মনে করি সাংবাদিকদের সাথে যা করা হয়েছে তা যথার্থই হয়েছে। আগে নিজেদের যোগ্য করে গড়ে তোলা উচিত। শুধুমাত্র লিখতে জানলেই সংবাদিক হয়না। এজন্য দরকার প্রাতিষ্ঠানিক যোগ্যতা।

  2. Suman বলেছেন

    মন্ত্রনণলয়ের, অসৌজন্যমুলক, আচরনের, জেলা প্রশাসেনর, আকর্ষন???

    একটি ছোট প্রতিবেদনে যদি উপরোক্ত এতো ভুল শব্দ ব্যবহৃত হয়, তাহলে মনে করি সাংবাদিকদের সাথে যা করা হয়েছে তা যথার্থই হয়েছে। আগে নিজেদের যোগ্য করে গড়ে তোলা উচিত। শুধুমাত্র লিখতে জানলেই সংবাদিক হয়না। এজন্য দরকার প্রাতিষ্ঠানিক যোগ্যতা।

  3. Suman বলেছেন

    মন্ত্রনণলয়ের, অসৌজন্যমুলক, আচরনের, জেলা প্রশাসেনর, আকর্ষন

    একটি ছোট প্রতিবেদনে যদি উপরোক্ত এতো ভুল শব্দ ব্যবহৃত হয়, তাহলে মনে করি সাংবাদিকদের সাথে যা করা হয়েছে তা যথার্থই হয়েছে। আগে নিজেদের যোগ্য করে গড়ে তোলা উচিত। শুধুমাত্র লিখতে জানলেই সংবাদিক হয়না। এজন্য দরকার প্রাতিষ্ঠানিক যোগ্যতা।

  4. Suman বলেছেন

    মন্ত্রনণলয়ের, অসৌজন্যমুলক, আচরনের, তাৎক্ষনিক, প্রশাসেনর, আকর্ষনম । এবং

    একটি ছোট প্রতিবেদনে উপরোক্ত এতগুলো শব্দ ভুল ব্যবহার!!! নিজেদের কিভাবে সাংবাদিক বলে দাবী করতে পারেন??

আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না।