পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সুত্রে জানা গেছে, গুইমারা রিজিয়নের আওতাধীন ৮ ফিল্ড রেজিমেন্ট আর্টিলারীর একটি থ্রী-টন খাগড়াছড়ি থেকে সিন্ধুক ছড়ি জোন সদরে ফেরার পথে বাইল্যাছড়ি এলাকায় আসলে চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা খাগড়াছড়িগামী একটি বাস (কুমিল্লা-জ-০৪-০১৬৩) সেনাবাহিনীর থ্রী-টনকে সামনের দিক থেকে সজোরে আঘাত করলে সেনাবাহিনীর থ্রী-টনটি ধুমড়ে-মুছড়ে যায়। এসময় যাত্রীবাহি বাসটিরও সামনের অংশ ধুমড়ে-মুছড়ে যায়।
আহতরা হলো, ৮ ফিল্ড রেজিমেন্ট আর্টিলারী সিন্ধুকছড়ি জোনের থ্রী-টন গাড়ির চালক সার্জেন্ট মো: আকমল হোসেন (৪১), ল্যান্স কর্পোরাল রায়হান হোসেন (২৪) ও ল্যান্স কর্পোরাল মো: সিরাজুল ইসলাম, বাসের চালক মো: মো: ইয়াকুব আলী ও মোরশেদা বেগম (৪০)। আহত অন্যদের নাম ও পরিচয় জানা যায়নি।

ঘটনার পরপরই সেনাবাহিনী ও পুলিশ আহতদের উদ্ধার করে আহত তিন সেনাসদস্যকে গুইমারা সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে ও অন্যদের মাটিরাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। আহতদের মধ্যে ১০ জন প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল ত্যাগ করলেও গুরতর আহত বাসের চালক মো: মো: ইয়াকুব আলীকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। মোরশেদা বেগম (৪০) নামে একজন মাটিরাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন আছে।
এদিকে দুর্ঘটনার পরপরই ঘটনাস্থলে ছুটে যান গুইমারা রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ কামরুজ্জামান, এনডিসি, পিএসসি-জি, মাটিরাঙ্গা উপজেলা চেয়ারম্যান মো: তাজুল ইসলাম, মাটিরাঙ্গা পৌরসভার মেয়র মো: শামছুল হক ও মাটিরাঙ্গা তানার অফিসার ইনচার্জ মো: সাহাদাত হোসেন টিটো প্রমুখ।
দুর্ঘটনার পর সড়কের দুই পাশে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। প্রায় দুই ঘন্টা ধরে যান চলাচল বন্ধ থাকার পর সেনাবাহিনীর সহায়তায় দুর্ঘটনাকবলিত ক্ষতিগ্রস্থ গাড়ি সরানোর পর সড়কটি যান চলাচলের উপযোগী করে।
পুলিশ বাসটিকে পুলিশ হেফাজতে নেয়া হয়েছে নিশ্চিত করে মাটিরাঙ্গা থানার অফিসার ইনাচার্জ (ওসি) মো. সাহাদাত হোসেন টিটো জানান, বাসটির চালকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করার প্রস্তুতি চলছে।