খাগড়াছড়ির স্থগিত হওয়া ৫ কেন্দ্রের ভোটগ্রহণ ৩০ ডিসেম্বর

৩য় ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে স্থগিত হওয়া খাগড়াছড়ির ৫ কেন্দ্রে পুনরায় ভোটগ্রহণের তারিখ ঘোষণা করছে নির্বাচন কমিশন। আগামী ৩০ ডিসেম্বর এ কেন্দ্রগুলোতে পুনরায় ভোটগ্রহন হবে৷

গত ২৮ নভেম্বর জেলার দীঘিনালায় ৩টি ও মহালছড়ির ৪টি ইউনিয়নে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনের দিন ব্যালট বাক্স ভাংচুর, ব্যালট পেপার ছিনতাই ও কেন্দ্র দখল সহ বেশকিছু অভিযোগে কবাখালী ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের ১নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র ও ৮নং ওয়ার্ডের ইউনিয়ন পরিষদ কেন্দ্রের ভোটগ্রহণ স্থগিত করা হয়। এ দুই কেন্দ্রে ভোটার সংখ্যা ২ হাজার ৮২৮ ভোট৷

এ ইউপিতে ৯ কেন্দ্রের মধ্যে স্থগিত হওয়া ছাড়া বাকী ৭ কেন্দ্রের ফলাফলে এগিয়ে আছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী (আনারস) নলেজ চাকমা। তিনি পেয়েছেন ৫ হাজার ৪৯২ ভোট। আওয়ামী লীগের মনোনীত (নৌকা) প্রার্থী আবদুল বারেক পেয়েছেন ২ হাজার ৮৫৬ ভোট৷ অপর স্বতন্ত্র প্রার্থী (ঘোড়া) আবদুল কাইয়ুম পেয়েছেন ১১৭ ভোট।

একই কারণে মেরুং ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের হাজাধন মুনিপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ৫নং ওয়ার্ডের বাঁচামেরুং সরকারি প্রাথমিক কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ স্থগিত করা হয়। এ দুটি কেন্দ্রে ৪ হাজার ৫১জন ভোটার রয়েছে। এ ইউপিতে ১৫ টি কেন্দ্রের মধ্যে স্থগিত হওয়া ছাড়া বাকী ১৩ কেন্দ্রের ফলাফল অনুযায়ী পার্বত্য চট্টগ্রামের একমাত্র নারী ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনীত (নৌকা) প্রার্থী মাহমুদা বেগম ১০ হাজার ৪৭৪ ভোট পেয়ে এগিয়ে আছেন। স্বতন্ত্র প্রার্থী (আনারস) হেমাব্রত কার্বারী পেয়েছেন ৭ হাজার ৯০৭ ভোট ও ইসলামি আন্দোলন মনোনীত (হাতপাখা) প্রার্থী আশরাফুল আলম পেয়েছেন ১ হাজার ৩৮৩ ভোট।

পাশাপাশি ভোটকেন্দ্রে জালিয়াতির অভিযোগে স্থগিত হয় মহালছড়ির মাইসছড়ি ইউনিয়নের মাইসছড়ি উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রটি। এ কেন্দ্রে মোট ভোটার রয়েছে ১ হাজার ৩০৫ জন৷ এ ইউপিতে স্থগিত ১কেন্দ্র ছাড়া বাকী ৮ কেন্দ্রের ফলাফল অনুযায়ী এগিয়ে আছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী (আনারস) সাজাই মারমা। তিনি পেয়েছেন হাজার ৩২১ ভোট৷ আওয়ামী লীগের মনোনীত (নৌকা) প্রার্থী গিয়াস উদ্দিন পেয়েছেন ২ হাজার ১২২ ভোট।

জেলা নির্বাচন অফিসার মো. সাইদুর রহমান বলেন,৩য় ধাপে স্থগিত হওয়া মহালছড়ির ১টি ও দীঘিনালার ৪টি কেন্দ্রে আগামী ৩০ ডিসেম্বর ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

আরও পড়ুন
আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না।