খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ গুণীজন সংবর্ধনা পাচ্ছেন যারা

খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ প্রতি বছরের মতো এবছরও গুনীজন সংবর্ধনার আয়োজন করেছে। খাগড়াছড়ি পার্বত্য পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান কংজরী চৌধুরী ২০১৫ সালে দায়িত্ব নেয়ার পর থেকে প্রতিবছর বৈসাবি ও পহেলা বৈশাখে সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রাখা গুনীজনদের সংবর্ধিত করছেন।
এবছর ৯ ক্ষেত্রে ২৫ জনকে গুনীজন সংবর্ধনায় ভূষিত করতে চূড়ান্ত তালিকাও প্রণয়ন করেছে গুনীজন সংবর্ধনা বিষয়ক উপ কমিটি। শিক্ষা ক্ষেত্রে অবদানের জন্য মংরাণী নীহার দেবী (মরণোত্তর), প্রফেসর বোধিসত্ব দেওয়ান, কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা। শান্তি ও সম্প্রতিতে মংসাজাই চৌধুরী (মরণোত্তর), রাম্রাচাই মগ মাস্টার (মরণোত্তর), নুরুন্নবী চৌধুরী। মুক্তিযুদ্ধে মংরাজা মংপ্রুসেইন (মরণোত্তর), হেমদা রঞ্জন ত্রিপুরা, মুলকুতুর রহমান (মরণোত্তর), সমাজসেবায় ভদন্ত চন্দ্রমনি মহাস্থবির
(মরণোত্তর), কংলাচাই চৌধুরী, পুরুষোত্তম চাকমা। সংস্কৃতিতে অমর কৃষ্ণ শীল (মরণোত্তর), মো: আবুল কাসেম। সাহিত্যে সুগত চাকমা (ননাধন), শোভা রাণী ত্রিপুরা, অংসুই মারমা। সংবাদপত্র ও সাংবাদিকতায় সুনীল কান্তি দে, নুরুল আজম ও জীতেন কুমার বড়ুয়া। নারী উন্নয়নে হলা ক্রা প্রু মারমা, শাপলা ত্রিপুরা ও লালসা চাকমা। ক্রীড়ায় এ কে মগ (আবু) ও অনুপ চাকমার নাম রয়েছে গুনীজন সংবর্ধনা কমিটির তালিকায়।
আগামীকাল (১১ এপ্রিল) বিকেল ৪টায় খাগড়াছড়ি পৌর টাউন হলে নাগরিক সমাবেশের মাধ্যমে উপরোক্ত ব্যক্তিদের সংবর্ধিত করার কথা জানিয়েছে খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ।
খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কংজরী চৌধুরী জানান, যে জাতিগুনীদের সম্মান করে না সে জাতি বেশী দূর এগোতে পারে না। মহান মুক্তিযুদ্ধ ও তৎপরবর্তী সময়ে পার্বত্য চট্টগ্রামের আত্মসামাজিক উন্নয়নে যারা অবদান রেখেছেন তাদের সম্মান জানানো আমাদের দায়িত্ব। ভবিষ্যতেও এই ধারা অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।

আরও পড়ুন
আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না।