গণতন্ত্র যারা ভালোবাসে তারা খালেদা জিয়ার চোখ রাঙ্গানিকে ভয় করেনা : বীর বাহাদুর

গণতন্ত্র রক্ষা দিবস উপলক্ষে বান্দরবানে আওয়ামীলীগ আয়োজিত গণসমাবেশে বক্তব্য রাখছেন প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর এমপি। ছবি-রাহুল বড়ুয়া ছোটন
শিক্ষাকে অগ্রধিকার দিয়ে শিক্ষার জন্য গ্রামেগঞ্জে যে স্কুল করে দেওয়া হলো, সে স্কুল কি অপরাধ করেছে? বেগম খালেদা জিয়া সন্ত্রাসবাদী কায়দায় সেই স্কুলে নির্বাচনের সেন্টার করা হলো বলে তা আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া হলো। শত মানুষ খুন করা হলো, আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া হলো। গণতন্ত্র যারা ভালোবাসে তারা খালেদা জিয়ার চোখ রাঙ্গানিকে ভয় করেনা ১০ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ৩য় বছর পূর্তি ও গণতন্ত্র রক্ষা দিবস উপলক্ষে বান্দরবানে জেলা আওয়ামীলীগ আয়োজিত গণসমাবেশে পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর এসব কথা বলেন।
দিবসটি পালন উপলক্ষে বৃহস্পতিবার বিকেলে বান্দরবান শহরের রাজার মাঠ থেকে একটি বর্ণাঢ্য রালী বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে বঙ্গবন্ধু মুক্ত মঞ্চে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে এক গণসমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। বান্দরবান জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ক্যশৈহ্লার সভাপতিত্বে সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি। বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি আব্দুর রহিম চৌধুরী, সুধাংশু বিমল চক্রবর্তী, দীপ্তি কুমার বড়ুয়া, জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ইসলাম বেবী, আঞ্চলিক পরিষদ সদস্য শফিকুর রহমান, কাজল কান্তি দাশ,পার্বত্য জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মং কৈ চিং চৌধুরী, পার্বত্য জেলা পরিষদ সদস্য ক্যা সা প্রু, লক্ষীপদ দাশ, মোজাম্মেল হক বাহাদুর, ম্রা সা খ্যায়াং, ফিলিপ ত্রিপুরা, জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক অজিত দাশ, পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি অমল কান্তি দাশসহ অনেকে ।
গণতন্ত্র রক্ষা দিবস উপলক্ষে বান্দরবানে আওয়ামীলীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর এমপি, জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ক্য শৈহ্লা, সাধারণ সম্পাদক ইসলাম বেবীসহ অন্যরা । ছবি-রাহুল বড়ুয়া ছোটন
সভায় পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর আরো বলেন, আগামী নির্বাচনে বিএনপি যদি অংশগ্রহন না করে তাহলে দলটি মুসলিমলীগে পরিনত হবে। তাদের লক্ষ্য ছিল নির্বাচন করা নয়, তাদের লক্ষ্য ছিল নির্বাচন বর্জন করা। আমরা যারা গনতন্ত্র বিশ্বাস করি তাদের লক্ষ্য ছিল জনগণের রায় নিয়ে ক্ষমতায় যাবে। প্রধানমন্ত্রী বারবার চেষ্টা করেছেন, মানুষ জানেন। সেই দিন টেলিফোন করেছিলেন কিন্তু তিনি ফোনে কি বলেছিলেন তা বাংলার জনগন জানে।
এসময় জেলা শহরের ৯টি ওয়ার্ড থেকে আওয়ামীলীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগ, কৃষকলীগ ও স্বেচ্ছাসেবকলীগসহ বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা মিছিল সহকারে এসে সমাবেশে অংশ নেয় ।

আরও পড়ুন
আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না।