জুলাই গণঅভুত্থানের এক বছরের প্রাক্কালে গতকাল ৩০-০৬-২০২৫ইং তারিখে গণসংহতি আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে হাতিরপুল সড়কে ২ দফা ককটেল বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। এটি সন্দেহাতীভাবে উদ্দেশ্যমূলক এবং উদ্বেগজনক। গত ২৩ বছর ধরে বাংলাদেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রামের এক লড়াকু দলের নাম গণসংহতি আন্দোলন ফ্যাসিবাদী দুঃশাসনের বিরুদ্ধে সোচ্চার-সরব ছিল। জনগণকে সাথে নিয়ে লড়াইয়ের মাঠ ছাড়েনি কখনো গণসংহতি আন্দোলন।

আজ মঙ্গলবার (১জুলাই) গণসংহতি আন্দোলন বান্দরবান জেলার সমন্বয়কারী নিজাম উদ্দীন (মিজান) এবং নির্বাহী সমন্বয়কারী রিপন চক্রবর্তী এক যৌথ বিবৃতিতে গণসংহতি আন্দোলন কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে ককটেল বিস্ফোরনের নিন্দা জানিয়ে বলেন, অভ্যুত্থানের-বিরোধীদের ভয় জুলাইয়ের লড়াইয়ের সকল ছাত্র-জনতা-শ্রমিক সকল রাজনৈতিক দলকে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রাণশক্তি বিভিন্ন দলকে ভয়-ভীতি প্রদর্শন এবং বিচার, সংস্কার ও নির্বাচন নিয়ে যে ঐক্যবদ্ধ প্রয়াস তাকে বাধাগ্রস্থ করার জন্যই এই হামলা।
বিবৃতিতে আরো বলা হয়, গণসংহতি আন্দোলনের কার্যালয়ের ছাড়াও গত কয়েকদিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, মৌচাকসহ বিভিন্ন এলাকায় এ ধরনের পরিকল্পিত ককটেল হামলা চলছে। গণসংহতি আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ করে গণতন্ত্রের যাত্রাকে কেউ বাধাগ্রস্থ করতে পারবে না। সাধারণ মানুষকে অধিকার থেকে বঞ্চিত করতে পারবে না। ফ্যাসিস্ট সিস্টেমকে ফিরিয়ে আনার কোনো ষড়যন্ত্র বাংলার জনগণ মেনে নিবে না। ককটেল বিস্ফোরণে জড়িত সকলের দ্রুত গ্রেফতার ও শাস্তির দাবি জানান।



