‘গুলশান হামলার অস্ত্র ভারত হয়ে আসে’

dmpমধ্যপ্রাচ্যের একটি দেশ থেকে হুন্ডির মাধ্যমে গুলশান ও শোলাকিয়ায় জঙ্গি হামলার অর্থের যোগান এসেছে। আর ভারতের ভেতর দিয়ে এসেছে অস্ত্রের যোগান।

সোমবার দুপুরে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে একথা জানান কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের প্রধান মনিরুল ইসলাম। এসময় তিনি আরো বলেন, দেশে অর্থ গ্রহণকারীর পরিচয় তারা জানতে পেরেছেন। তাকে গ্রেফতারে অভিযান চলছে।

গুলশানের হলি আর্টিজান বেকারিতে ১ জুলাইয়ের নৃশংস হামলার পর বাংলাদেশে জঙ্গি কর্মকাণ্ডে আসে নতুন মোড়। হামলাকারীরা নিজেদের আইএস দাবি করলেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বলছে, এর পেছনে আছে নব্য জেএমবি।

মূলত ২০১৫ সালে এই জঙ্গি সংগঠনটির উত্থান। গুলশান হামলার সপ্তাহখানেক ব্যবধানে শোলকিয়া ঈদগাহের কাছে ঘটে আরেকটি হামলার ঘটনা। গুলশান ঘটনায় হামলাকারীরা সবাই আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর অভিযানে নিহত হলেও শোলাকিয়ার ঘটনায় গ্রেফতার করা হয় হামলাকারীদের কয়েকজনকে। এই দুটি জঙ্গি হামলার পরই প্রশ্ন উঠে নব্য জেএমবির পেছনে কারা ছিলো। তাদের অর্থ ও অস্ত্রের উৎস নিয়েও ছিলো কৌতূহল।

কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের প্রধান মনিরুল ইসলাম বলেন, গুলশান ও শোলাকিয়ার হামলার ঘটনায় তামিম চৌধুরী ছাড়াও নেপথ্যের আরো কয়েকজনের নাম তারা জেনেছেন। তাদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।

কাউনটার টেররিজম ইউনিটের প্রধান বলেন, সাম্প্রতিক জঙ্গি বিরোধী অভিযানে ৭ জন শীর্ষ পর্যায়ের জঙ্গি নেতা নিহত হয়েছে। ফলে সাংগঠনিকভাবে নব্য জেএমবি অনেকটাই নিষ্ক্রিয়। তবে জঙ্গি বিরোধী পুলিশি তৎপরতা অব্যাহত থাকবে।

আজিমপুর অভিযানে আটক তিন নারীর পরিচয় পাওয়া গেছে বলেও জানান তিনি। এরা হলো মারজান, বাসারুজ্জামান ওরফে চকলেট এবং তানভির কাদেরির স্ত্রী। খবর-সময় টিভি।

আরও পড়ুন
আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না।