চালকদের মারধরের প্রতিবাদে কাপ্তাইয়ে সিএনজি ধর্মঘট : দূর্ভোগ চরমে
রাঙামাটির কাপ্তাই- লিচুবাগান এবং কাপ্তাই-আসামবস্তী সড়কে অনির্দিষ্টকালের জন্য সিএনজি চালিত অটোরিকশা চলাচল আজ রবিবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকাল ৬ টা হতে বন্ধ রয়েছে। ফলে উভয় সড়কে সিএনজি করে যাতায়াতকারী যাত্রীরা চরম দূর্ভোগে পড়েছে। এসময় অফিসগামী কর্মকর্তা, কর্মচারী, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ জনগণকে পায়ে হেঁটে গন্তব্যে পৌঁছাতে দেখা যায়।
সন্ত্রাসী কর্তৃক কাপ্তাই সিএনজি সমিতির সদস্য মো: মামুন এবং মো: ফারুককে আসামবস্তী সড়কে গুরুতর আহত করার প্রতিবাদে রাঙামাটি জেলা সিএনজি চালক সমিতির নির্দেশনা মোতাবেক এই ধর্মঘট পালিত হচ্ছে বলে জানান কাপ্তাই অটোরিকশা শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মোঃ দিদারুল আলম।
এদিকে রবিবার সকাল ৯ টায় কাপ্তাই রেশম বাগান পুলিশ চেকপোস্টে গিয়ে দেখা যায়, কেপিএম সিএনজি চালক সমিতির সদস্যরা সেখানে অবস্থান নিয়ে সিএনজি চলাচলে বাঁধা প্রদান করছেন।
অপরদিকে রবিবার সকাল ১০ টায় কাপ্তাই উপজেলা সদর বড়ইছড়ি মূল সড়কে এসে দেখা যায়, এখানেও সিএনজি চালকরা রাস্তায় অবস্থান নিয়ে কোন সিএনজিকে চলতে দিচ্ছেন না। এসময় বড়ইছড়ি সিএনজি চালক সমিতির সভাপতি আমির হোসেন এবং সিএনজি চালক বাবলু মল্লিক জানান, আসামবস্তী সড়ক সহ রাঙামাটিতে আমাদের সদস্যদের পাহাড়ি সন্ত্রাসিরা পিটিয়ে গুরুতর জখম করেছেন। আমরা এর বিচার না পাওয়া পর্যন্ত ধর্মঘট চালিয়ে যাবো। আমরা এর বিচার চাই।

এদিকে যাত্রী মো: ইমরান, সেকান্দর, উসাইনু মারমা জানান, কোন রকম ঘোষণা ছাড়া সিএনজি চালকরা ধর্মঘট ডাকায় আমাদের দূর্ভোগ চরমে উঠেছে।
এদিকে রবিবার দুপুর ১ টা ৩০ মিনিট এ আহত সিএনজি চালক মো মামুন ও ফারুক সহ সমিতির নেতৃবৃন্দ কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দপ্তরে দেখা করেন। এসময় আহত সিএনজি চালক ফারুক জানান, গত শুক্রবার বিকেল ৩টায় রাঙামাটি হতে আসামবস্তী সড়ক হয়ে কাপ্তাইয়ে আসার পথে আসামবস্তী ব্রিজ এলাকায় অস্ত্র সহ কয়েকজন পাহাড়ি সন্ত্রাসী আমাদেরকে আহত করেন। আমরা কোন রকমে প্রাণভয়ে পালিয়ে চলে আসি।
এইসময় উপস্থিত কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো মহিউদ্দিন ও কাপ্তাই থানার ওসি আবুল কালাম ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দোষীদের বিচারের আওতায় আনার কথা বলেন।
সর্বশেষ দুপুর ২ টা পর্যন্ত এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত সিএনজি ধর্মঘট চলছে।



