জামাতুল হিন্দাল শারক্বীয়া সদস্য সন্দেহে গ্রেপ্তার ৩২ জনের জামিন মঞ্জুর
বান্দরবানে কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্টের (কেএনএফ) ঢেরায় প্রশিক্ষণ নেয়া জামাতুল আনসার হিন্দাল শারকীয়ার সদস্য সন্দেহে চার মামলায় গ্রেপ্তার ৩২ জনের জামিন মঞ্জুর করেছে বান্দরবান জেলা ও দায়রা জজ আদালত।
আজ মঙ্গলবার (২৪ সেপ্টম্বর) দুপুরে আদালতের বিচারক মোসলেহ উদ্দিন এই জামিন মঞ্জুর করেন।

জামিন প্রাপ্তরা হলেন, মো: সিলেটের মাকসুদুর রহমান, কুমিল্লার সালেহ আহমদ, সিলেটের মো: সাদেকুর রহমান, কুমিল্লার মো: বায়েজিদ ইসলাম, নোয়াখালির নিজাম উদ্দিন হিরন, মাদারীপুরের মো: আবুল বাশার মৃধা, কুমিল্লার মো: ইমরান হোসেন, নারায়ণগঞ্জের আল আমিন সর্দার, কুমিল্লার মো: দিদার হোসেন, সিলেটের তাহিয়াত চৌধুরী, ঝালকাঠির মো: হাবিবুর রহমান, কুমিল্লার মো: সাখাওয়াত হোসেন, পটুয়াখালীর মো: মিরাজ সিকদার, পটুয়াখালীর মো: আল আমিন ফকির, বরিশালের মো: আবদুস সালাম, পটুয়াখালীর মো: ওবাইদুল্লাহ হক, বরিশালের মো: মাহামুদ ডাকুয়া, পটুয়াখালীর জুয়েল মুসল্লি, পটুয়াখালীর মো: শামীম, মুন্সিগঞ্জের রিয়াজ শেখ, বরগুনার মো: সোহেল মোল্লা, টাঙ্গাইলের মো: ইলিয়াছ রহমান, কুমিল্লার মো: জহিরুল ইসলাম, চট্টগ্রামের মো: আবু হোরায়রা, কুমিল্লার মো: দিদার হোসেন মাসুম, চট্টগ্রামের ইমরান হোসেন, কুমিল্লার আহাদুল ইসলাম মজুমদার, কুমিল্লার আনিছুর রহমান, গাইবান্ধার মো: শামীন মাহফুজ, কুমিল্লার মো: আসসামী রহমান।
আসামি পক্ষের আইনজীবী মো. আলমগীর চৌধুরী জানান, বিনা অপরাধে দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে এদের আটক করে জঙ্গি সম্পৃক্ততার অভিযোগ এনে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এরা বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠনের সাথে সম্পৃক্ত ছিল। তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার তাদেরকে হয়রানি করার উদ্দেশ্যে আটক করে জঙ্গির তকমা লাগায়। তাদের বিরুদ্ধে জঙ্গি সম্পৃক্ততার কোন অভিযোগ না পাওয়ায় আদালত তাদের জামিল দিয়েছে।
উল্লেখ্য ২০২২ সালে বান্দরবানে সশস্ত্র সংগঠন কুকি চিন ন্যাশনাল ফ্রন্ট কেএনএফ তৎপরতা শুরু করে। পরে তাদের আস্তানায় অর্থের বিনিময়ে প্রশিক্ষণ নেয় জামাতুল আনসার ফিল হিন্দাল শারক্বীয়ার সদস্যরা। এমন অভিযোগে জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে বিভিন্ন সময় র্যাব তাদের গ্রেপ্তারের পর আদালতে সোপর্দ করা হলে আদালতের নির্দেশে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছিল।



