

তিনি আরো বলেন, অচিরে থানচি হবে পর্যটন শিল্পের প্রধান আকর্ষণীয় এলাকা। থানচি উপজেলার জন্য প্রধান মন্ত্রী ইতিমধ্যে ২১টি বেসরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়কে জাতীয়করণ ঘোষনা করেছেন এবং বাস্তবায়ন কাজ চলছে। থানচি উপজেলার হত দরিদ্র জনসাধানের জন্য সরকারে উন্নয়নের পার্বত্য মন্ত্রণালয়, উন্নয়ন বোর্ড,জেলা পরিষদসহ বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগী প্রতিষ্ঠান যৌথভাবে কোটি কেটি টাকা বরাদ্ধ দিয়েছে এবং উন্নয়ন কাজ বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে। উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় বজায় রাখা এবং পার্বত্য চট্টগ্রামে সার্বিক শান্তির শৃংখলা রক্ষায় পূনঃরায় আওয়ামী লীগ ও নৌকা প্রতীকের রায় দিয়ে সহযোগীতা করার আহবান জানান।
জনসভায় জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও পৌর মেয়র ইসলাম বেবী, পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য লক্ষীপদ দাশ, ফিলিপ্স ত্রিপুরা,মোজাম্মেল হক বাহাদুরসহ উপজেলার, ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সভা শেষে হত দরিদ্রদের মাঝে সেলাই মেশিন,স্প্রে মেসিন, ভিজিডি কার্ডধারীদের চাউল, শীত বস্ত্র (কম্বল) বিতরণ করেন। এর আগেই বিএনপি ও জন সংহতি সমিতি থেকে শতাধিক নেতাকর্মী আওয়ামী লীগে যোগদান করেন ।
বৃহস্পতিবার ৩ কোটি ৫২ লক্ষ টাকা ব্যয়ের নব নির্মিত ও বাস্তবায়িত প্রকল্পের মধ্যে থানচি সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ের ভবন,সদর ইউপি ভবন,সেগুম ঝিড়ি সেতু,বঙ্গবন্ধু স্মৃতি পাঠাগার, হাইলমারা পাড়া রাস্তা,বাগান পাড়া রাস্তা,হিন্দু পাড়া রাস্তা,মংনাই পাড়া অভ্যন্তরীণ সংযোগ রাস্তা, দাকছৈ পাড়া বৌদ্ধ বিহারের উপাসকদের ভাবনা কেন্দ্র নির্মিত ভবন শুভ উদ্বোধন করেন ।
উদ্বোধনের সময় জেলা প্রশাসক দিলিপ কুমার বণিক, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অনির্বান চাকমা, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড নির্বাহী প্রকৌশলী আবদুল আজিজ, উপজেলা চেয়ারম্যান ক্যহ্লাচিং মারমা,উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ জাহাঙ্গীর আলমসহ সরকারি ১৭ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা অংশগ্রহন করেন।



