থানচিতে এ কেমন কালভার্ট তৈরী করছেন ঠিকাদার !

থানচিতে নিম্নমানের সামগ্রি দিয়ে তৈরী হচ্ছে কালভার্ট
বরাবরের মতোই বান্দরবানের থানচি উপজেলায় নির্মান কাজ মানেই ঠিকাদারদের জন্য লাভের উপর যেন লাভ।অল্পদিনেই ঠিকাদারী করে অর্থকড়ি হাতিয়ে নেওয়ার উর্বর ক্ষেত্র যেন থানচি উপজেলা। অতি নিম্নমানের কাজ করে থানচিতে বিল উত্তোলন করেন অধিকাংশ ঠিকাদার, এর ব্যতিক্রম হয়নি এবারও।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় পাথরের ডাষ্ট, ময়লা অবর্জনা বালি দিয়ে ঢালাই করে সেতু-কালভার্ট নির্মাণ করছেন এক ঠিকাদারী সংস্থা। বান্দরবানে থানছি সদর হতে ২ কিলোমিটার দক্ষিনে ছাংদাক পাড়া হয়ে জিনিঅিং পাড়া যাওয়ার পথে শাহজাহান ঝিড়িতে সেতু-কালভার্ট নির্মাণ করেন চলতি অর্থবছরে। ঠিকাদার সংস্থা নির্মাণে প্রথম ধাপে সেতুতে দুইধারে পিলার নির্মানের স্থানীয় ময়লা অবর্জনা বালির পাথর ও পাথরের ডাষ্ট ঢালাই কাজের ব্যবহার অভিযোগ উঠেছে ।
উপকারভোগী ও যুবলীগের নেতা পাটেম বম অভিযোগ করে বলেন, একটি ঢালাই পর এক সপ্তাহ পানি দিয়ে শুকানো প্রয়োজন কিন্তু আমরা অনেকবার বলার পর ও মানা হয়নি। উপজেলা নির্বাচনের ব্যস্ত ছিলাম, এরমধ্যে কাজটি মিস্ত্রি করে ফেলছে, টেকসই ও স্থায়ীত্ব নিয়ে আমাদের শংশয় রয়েছে।
জানা যায়, চলতি অর্থ বছরের উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা কার্যালয়ের তত্ত্ববধানে প্রায় ৩২ লক্ষ টাকা ব্যয়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রনালয়ের অর্থায়নের নির্মানাধীণ সেতু কালভার্ট বাস্তবায়নে বান্দরবানে বিএনপি নেতা নঈম ঠিকাদারকে কার্যাদেশ দেয়া হয়েছে তা আগামি জুন মাসের বাস্তবায়ন কাজ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে ।
এই ব্যাপারে ঠিকাদার সংস্থা নঈমের পার্টনার কামাল সাংবাদিকদের বলেন, মিস্ত্রি নজরুলকে সব দায়িত্বে দিয়ে দিয়েছি, অল্প দিনে সে সব করে দিবে এবং ইঞ্জিনিয়ার ও সব কর্মকর্তাকে তিনি সামলাবেন।
সরেজমিনে আজ রোববার সেতু কালভার্ট নির্মানে প্রথম ধাপে দুই পাশ্বে দুইটি পিলার নির্মিত স্থানের কোন ধরনের বালির ও পাথরের কংক্রিট ছাকুঁনি (নেট) এবং মিক্সার মেশিন ও ব্রাইবেটার মেশিন ব্যবহার করতে দেখা যায়নি। ঢালাই শেষে পিলারের এক সপ্তাহব্যাপী ভিজা চটের বস্তা ও পানি দেয়ার সরকারি ভাবে নিয়ম থাকলে ও দেখা মেলেনি ঐসব ব্যবহারের। নির্মান কাজের এক সাথে ঠিকাদার ইঞ্জিনিয়ার ও মিস্ত্রি তিন পদে কাজ করছেন ঠিকাদার সংস্থা নিয়োজিত মিস্ত্রি নজরুল ইসলাম। গত এক মাস দরে নজরুল ইসলাম মিস্ত্রি ৬ জন নির্মাণ শ্রমিক দিয়ে দুই সাইডে দুইটি পিলার তিন ধাপের ঢালাই দেয়ার কাজ শেষ করেছে। নিম্নমানের কাজ হওয়ার কারনে টেকসই স্থায়ীত্ব নিয়ে সন্দেহ উপকারভোগীদের।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম জানান, ছোট কাজের কোন প্রকার ব্রাইবেটর মেশিন, মিক্সার মেশিন, বালির পাথর ছাকুঁনি (নেট) প্রয়োজন হয় না। আমি ছুটিতে আছি আসলে দে

আরও পড়ুন

আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না।