থানচি সোনালী ব্যাংকে এত অনিয়ম !

বান্দরবানের থানচিতে সোনালী ব্যাংকে শাখা ব্যবস্থাপক ও কর্মচারীদের নানা অনিয়ম,দূর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়রা এই অভিযোগ করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অফিসে চেয়ারে পা তুলে ধূমপান করা,বিভিন্ন পেশার গ্রাহকদের হয়রানি, বয়স্কভাতা ভোগীরা টাকা গ্রহনের পর ভাতা কার্ড ফেরত দেয়া হয়নি। ব্যাংকের জমা রাখা ও প্রত্যেক ভাতা ভোগীদের নমিনি সঠিক নয় অজুহাতে কমিশন নেয়া ও এনজিও স্কুল ও রক্স স্কুলের শিক্ষকদের নিকট কমিশন রাখাসহ নানা দূর্নীতি অনিয়মের কারনে বিভিন্ন শ্রেণির পেশাজীবি গ্রাহকদের সীমাহীণ দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে ।
আরো জানা যায়, ২০১৭ সালে জানুয়ারী মাস হতে জুন ৬ মাস যাবৎ থানচি উপজেলায় ৯১২ জনকে ৫ শত টাকা করে ৩ হাজার টাকা ভাতা ভোগীদের নিজস্ব একাউন্ট হতে খোলা চেক এর মাধ্যমে উক্তোলন করার নিয়ম রয়েছে। গত ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে সোনালী ব্যাংক থানচি থেকে ভাতা ভোগীদের একাউন্ট হতে উক্তোলনের সময় সোনালী ব্যাংকের শাখা ব্যবস্থাপক গিয়াস উদ্দিন অফিসে চেয়ারে পা তুলে ধূমপান করে নমিনিদের স্বাক্ষর, ছবি সঠিক নেই বলে বিভিন্ন অজুহাতে নির্ধারিত ভাতা হতে ৫০ টাকা থেকে ১০০ টাকা কমিশন কেটে রেখে দেয়। সাথে বয়স্কভাতা কার্ড ফেরত দেয়া হয় না।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বড় মদকের কয়েকজন ভাতাভোগী জানান, আমাদের নিকট থেকে ১০০ টাকা কেটে রেখে কার্ড ফেরত দেয়নি আমরা আগামী বার কিভাবে টাকা উক্তোলন করব, সরকার কি আমাদের ভাতা দেবে না, জানিনা আমাদের কপালে কি আছে।
এই ব্যাপারে সোনালী ব্যাংকের শাখা ব্যবস্থাপক গিয়াস উদ্দিন জানান, আপনারা এসে দেখেন এখানে হাসপাতালের ডাক্তার মংটিংঞো রয়েছে, তাকে মুঠো ফোন ধরিয়ে দিলেন শাখা ব্যবস্থাপক। মংটিঞো সাথে কথা বলার পর গিয়াস উদ্দিন জানালেন, মৌখিক ভাবে আমাকে আদেশ দিয়েছে সমাজ সেবা অফিসার তাই অফিসারের নির্দেশ ক্রমে কাজ করছি ভাতাভোগী কার্ড এবং টাকার কথা স্বীকার করে বলেন, ব্যাংকে কার্ড রাখার নিয়ম নেই, তবে আমরা কার্ড নিয়ে থাকি, সাংবাদিকরা কি করবেন করেন।
এই ব্যাপারে থানচি উপজেলা সমাজ সেবা কর্মকর্তা অজিত রায় জানান,ভাতা ভোগীদের কার্ড জমা নেয়ার কথা সোনালী ব্যাংক শাখা ব্যবস্থাপককে মৌখিক বা লিখিত বলা হয়নি। যদি ঘটনা সত্য হলে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া জরুরী।

আরও পড়ুন
Loading...