দীঘিনালায় ভিডিপি প্লাটুন কমান্ডারের বিরুদ্ধে দূর্নীতি অনিয়মের অভিযোগ

জড়িত রাজনীতির সাথে

খাগড়াছড়ির দীঘিনালার রশিক নগর ২ নম্বর ভিডিপি প্লাটুন কমান্ডার আবদুল আজিজের বিরুদ্ধে নানা দূর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ করেছে একই প্লাটুনের সদস্যরা।

অভিযুক্ত প্লাটুন কমান্ডার আবদুল আজিজ মধ্য বেতছড়ি গোরস্থান পাড়ার বাসিন্দা বাহের উদ্দিনের ছেলে ৷ সে প্রায় ২০ বছর যাবৎ অত্র প্লাটুনে বিভিন্ন পদে কর্মরত।

অভিযোগকারী ভিডিপি সদস্য মোসলেম উদ্দিন বলেন, ভিডিপির চাকরির পাশাপাশি আবদুল আজিজ বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত। সে গতবছরের ২৩ জুলাই অনুমোদিত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী তাঁতী দল দীঘিনালা উপজেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক। সরকারি নানা সুযোগ সুবিধা গ্রহণের পাশাপাশি সরকার বিরোধী নানা আন্দোলন সংগ্রামে উপস্থিত থাকে সে। সে ঠিক ভাবে ডিউটি না করেও বেতন ভাতা সহ সকল সুযোগ সুবিধা ভোগ করছে।

অত্র প্লাটুনের আরেক ভিডিপি সদস্য হেলাল মিয়া অভিযোগ করে বলেন, ইমাম হোসেন নামে এক ভিডিপি সদস্য সেচ্ছায় চাকরি হতে অব্যাহতি নিয়ে স্ব-পরিবারে রামগড় চলে যায়। প্লাটুন কমান্ডার আবদুল আজিজ ইমাম হোসেনের স্বাক্ষরিত ৫টি চেক রেখে দিয়ে তার বেতন ভাতা ভোগ করেছে। এছাড়াও ভিডিপি সদস্য আল আমিন ডিওটি না করেও তার যোগসাজশে বেতন ভাতা ভোগ করছে৷

রশিক নগর ২ নম্বর ভিডিপি প্লাটুন সদস্য মো. হাবিবুর রহমান অভিযোগ করে বলেন, ভিডিপি ক্লাব সংস্থারের নামে উপজেলা আনসার ভিডিপি অফিসের বরাদ্দকৃত ৯০ হাজার টাকা থেকে ২০ হাজার টাকা আত্মসাৎ করে আমাদের জানায় ৭০ হাজার টাকা বরাদ্দ পেয়েছে। এমনকি এ ৭০ হাজার টাকা পুরোটা সে ক্লাব সংস্থারের কাজে খরচ করেনি। এছাড়াও তার বিরুদ্ধে আরও ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে।

তবে সকল অভিযোগ অস্বীকার করে অত্র প্লাটুন কমান্ডার আবদুল আজিজ বলেন, আমি একসময় বিএনপির রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত থাকলেও বর্তমানে নেই। তাছাড়া আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগগুলো করা হয়েছে সব মিথ্যা ও বানোয়াট। এ বিষয়ে আমি আর কোন বক্তব্য দিতে পারবোনা। আমার উপজেলা কমান্ডার নিষেধ করেছে।

দীঘিনালা উপজেলা আনসার ভিডিপি কর্মকর্তা শাহ মোফাচ্ছেল হক বলেন, রশিক নগর ২ নম্বর ভিডিপির প্লাটুন কমান্ডার আবদুল আজিজের বিরুদ্ধে ইতোমধ্যে আমার নিকট লিখিত অভিযোগ এসেছে। বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবগত করেছি। অভিযোগের বিষয়ে সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করবো।

আরও পড়ুন
1 মন্তব্য
  1. suman বলেছেন

    সাধারণ মানুষের করের টাকা’য় বেতনে পেট ভরেনা তাদের। তাই ক্যাশ টাকাও দিতে হয়। যেখানে অন্যায়, সেখানে প্রতিবাদ, সেখানেই বিচার তাহলে তাদের শাস্তি হবে। এরং এটাই তাদের প্রাপ্য। পরের কাছে বিচার চেয়ে কোন লাভ নেই!!!

আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না।