নাইক্ষ্যংছড়িতে একজনকে হত্যা !

নিহত সোহেলের লাশ
বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি সদরে সাইফুল ইসলাম ওরফে সোহেল লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (৪মে) ভোর রাতে উপজেলার সদর ইউনিয়নের মাদরাসা ঘোনা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত সাইফুল ইসলাম ওরফে সোহেল (২০) ওই ইউনিয়নের প্রবাসী আব্দুল কাদেরের ছেলে।
এলাকা সূত্রে জানাযায়, সোহেল দিন মুজুরি শ্রমিকের কাজ করে আসছিলো। গত দেড়-দুই বছর আগে প্রেম নিবেদনে তার বিয়ে হয় ওই ইউনিয়নের রসুলপূর গ্রাম এলাকার আব্দু সাত্তার ওরফে সাত্তার বুড়ার কন্যা হামিদা বেগম (২৫)। স্বামী স্ত্রী দুই জনেই ভোটার হয়নি। তিন মাসের এক ছেলে রয়েছে তাদের সংসারে। দীর্ঘদিন ধরে সংসারিক সমস্যা চলে আসছিল। স্বামী সোহেল এলাকার শান্ত-সৃষ্ট ছেলে বলে এলাকাবাসীর কাছে পরিচিত। তবে স্ত্রী হামিদা বেগম প্রতিনিয়ত স্বামীকে মানসিক নির্যাতন করে আসছিলো। এতে এলাকাবাসীর সন্দেহ, স্ত্রীর সাথে বিরোধের কারনে তাকে হত্যা করতে পারে। নিজ বাসার বাইরে থেকে সোহেলের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
নাইক্ষ্যংছড়ি সদর ইউপি সদস্য আরেফ উল্লাহ ছুট্ট আত্মহত্যার কথা নিশ্চিত করে জানান, দীর্ঘদিন ধরে স্বামী-স্ত্রী মধ্যে সংসারিক বিরোধ চলছিলো। তার স্ত্রী হামিদা বেগম (২৫) প্রায়ই তাকে গালমন্দ করে মানসিক নির্যাতন করত। এতে সে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে আত্মহত্যা করেছে বলে আমরা অনুমান করছি।
নাইক্ষ্যংছড়ি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) জায়েদ নুর জানান, লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বান্দরবান জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তবে ময়নাতদন্তের রিপোর্টের পর জানা যাবে এটি হত্যা না আত্মহত্যা।

আরও পড়ুন
Loading...