নাইক্ষ্যংছড়িতে হেলথ এসিস্ট্যান্ট এসোসিয়েশনের উদ্যোগে কর্মবিরতি পালন

নাইক্ষ্যংছড়িতে হেলথ এসিস্ট্যান্ট এসোসিয়েশনের উদ্যোগে কর্মবিরতি পালন
পদমর্যাদা ও বেতন স্কেল উন্নীতকরণসহ চার দফা দাবীতে বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার হেলথ এসিস্ট্যান্ট এসোসিয়েশনের উদ্যোগে স্বাস্থ্য সহকারিরা ‘আপনার শিশুকে টিকা দিন’ লেখা ফেষ্টুন (পতাকা) গায়ে জড়িয়ে অভিনব কর্মসূচি পালন করেছে।
আজ সোমবার সকালে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লে­ক্সের ২৩ জন স্বাস্থ্য সহকারি এই অভিনব কর্মসূচি পালন করে। কর্মসূচি থেকে স্বাস্থ্য সহকারীদের সংগঠন বাংলাদেশ হেলথ এসিস্ট্যান্ট এসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে সরকারকে অবিলম্বে চার দফা দাবি মেনে নেয়ার আহব্বান জানানো হয়। অন্যথায় এই নতুন বছরের প্রথম দিন থেকেই ইপিআইসহ (টিকাদান) সব কার্যক্রম বন্ধ করে কর্মবিরতি পালন করারও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।
একই দাবিতে সারা দেশে অবস্থান কর্মসূচির অংশ হিসেবে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লে­ক্সের স্বাস্থ্য সহকারিরা এই অভিনব কর্মসূচি পালন করে ৪ দফা দাবির প্রতি একাত্মতা পোষন করে। এই অনুষ্টিত কর্মবিরতিতে উপস্থিত ও বক্তব্য রাখেন , উপজেলা হেলথ এসিস্ট্যান্ট এসোসিয়েশনের সভাপতি মোবাশ্বেরুল হক, সহ সভাপতি চাইহ্লা মং চাক, কামরুল হাসান শিমুল, সাধারণ সম্পাদক মোঃ শাহজাহান, যুগ্ন সম্পাদক আব্দু রহিম, সদস্য হ্লামংচিং মার্মা, বেলাল উদ্দীন, দুঃ হ্লাগ্য চাক,ফাতেমা বেগম,চিং হ্লা য়ো চাক প্রমূখ।
দাবি সমূহের মধ্যে রয়েছে,স্বাস্থ্য সহকারিদের টেকনিক্যাল বেতন স্কেলসহ পদমর্যাদা উন্নীত করা। মাঠ /ভ্রমন ভাতা ও ঝুঁকি ভাতা স্কুল বেতনের ৩০% হারে উন্নীত করা। জনসংখ্যা অনুপাতে প্রতি ছয় হাজারে একজন স্বাস্থ্য সহকারি নিয়োগ দেওয়া। দ্রুত সময়ের মধ্যে শূন্য পদে নিয়োগ প্রদান এবং নিয়োগের ক্ষেত্রে ১০% পোষ্য কোটা প্রণয়ন করা।
আন্দোলনরত স্বাস্থ্য কর্মীরা জানান,১৯৯৮ সালের ডিসেম্বরে শেখ হাসিনা যে ঘোষণা দিয়েছিল তা দ্রুত বাস্তবায়ন এবং টেকনিক্যাল স্কেল ও পদমর্যাদাসহ ৪ দফা দাবী নিয়ে আজ এ কর্মবিরতি পালন করা হচ্ছে। তারা আরও জানান, তাদের কারণেই বাংলাদেশ বিশ্বব্যাপী স্বাস্থ্যখাতে প্রশংসা কুড়িয়েছে কিন্তু তারা নানাভাবে অবহেলার শিকার হচ্ছে। দাবি আদায়ে আগামীতে আরো কঠোর আন্দোলন কর্মসূচি দেওয়া হবে বলে তারা ঘোষণা দেন।

আরও পড়ুন
আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না।