নেতা-কর্মীদের মুক্তির দাবিতে রাঙামাটিতে পিসিপি’র সংহতি সমাবেশ

নেতা-কর্মীদের মুক্তির দাবিতে রাঙামাটিতে পিসিপি’র সংহতি সমাবেশ
নেতা-কর্মীদের মুক্তির দাবিতে রাঙামাটিতে পিসিপি’র সংহতি সমাবেশ
পিসিপি’র কেন্দ্রীয় সহ সভাপতি বিনয়ন চাকমা, সাধারণ সম্পাদক বিপুল চাকমা ও সাংগঠনিক সম্পাদক অনিল চাকমাসহ রাজনৈতিক কারণে আটক সকল বন্দীদের নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে রাঙামাটির কুদুকছড়িতে সংহতি সমাবেশ করেছে বৃহত্তর পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ(পিসিপি) রাঙামাটি জেলা শাখা।

পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব চাকমা প্রেরিত এক বার্তায় জানা যায়, শনিবার সকাল ১০টায় ‘দমন-পীড়ন বন্ধ কর, সভা-সমাবেশের গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরিয়ে দাও’ এই দাবীতে বড় মহাপূরম উচ্চ বিদ্যালয় গেটের সামনে রাঙামাটি-খাগড়াছড়ি সড়কের ওপর অনুষ্ঠিত সমাবেশে পিসিপি রাঙামাটি জেলা শাখার সভাপতি কুনেন্টু চাকমা’র সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আসেন্টু চাকমার সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন পিসিপি’র কেন্দ্রীয় অর্থ সম্পাদক রতন স্মৃতি চাকমা, গণতান্ত্রিক যুব ফোরামের কেন্দ্রীয় তথ্য ও প্রচার সম্পাদক রুপন মারমা, নান্যাচর ভূমি রক্ষা কমিটির সভাপতি কুমেন্টু চাকমা ও ঘিলাছড়ি নারী নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটির সাবেক সভাপতি শান্তি প্রভা চাকমা।

সমাবেশে সংহতি জানিয়ে ঘিলাছড়ি ইউপি চেয়ারম্যান অমর কান্তি চাকমা বলেন, পাহাড়ি ছাত্র নিয়মতান্ত্রিভাবে আন্দোলন করছে। কিন্তু সরকার আন্দোলন দমনের জন্য পিসিপি নেতা-কর্মীদের অন্যায়ভাবে গ্রেপ্তার করছে।

নান্যাচর ভ‚মি রক্ষা কমিটির সভাপতি কুমেন্টু চাকমা বলেন,পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ পার্বত্য চট্টগ্রামে ভূমি রক্ষার আন্দোল করে যাচ্ছে। সরকার একদিকে ভূমি কমিশনের আইন সংশোধনের মাধ্যমে দরখাস্ত আহবান করছে, অপরদিকে আন্দোলনে যুক্ত নেতা-কর্মীদের ধরপাকড় চালাচ্ছে। তিনি অন্যায় ধরপাকড় বন্ধের দাবি করেন।

সমাবেশে অন্যান্য বক্তারা বলেন, সরকার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ১১ নির্দেশনা জারির মাধ্যমে পার্বত্য চট্টগ্রামে গণতান্ত্রিক অধিকারকে রুদ্ধ করে রেখেছে। অন্যায়ভাবে পিসিপিসহ সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের গ্রেপ্তার-হয়রানি করা হচ্ছে।
সমাবেশ থেকে বক্তারা অবিলম্বে পিসিপি’র কেন্দ্রীয় সহসভাপতি বিনয়ন চাকমা, সাধারণ সম্পাদক বিপুল চাকমা ও সাংগঠনিক সম্পাদক অনিল চাকমাসহ রাজনৈতিক কারণে আটক সকল বন্দীদের নিঃশর্ত মুক্তি, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দমনমূলক ১১ নির্দেশনা বাতিল ও অন্যায় ধরপাকড়-দমন পীড়ন বন্ধ করে গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরিয়ে দেয়ার জোর দাবি জানান।

আরও পড়ুন

আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না।