পানীয় জলের সংকটে নাইক্ষ্যংছড়ির জনজীবন বিপর্যস্ত

ফাইল ছবি
বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা সদর এলাকাজুঁড়ে তীব্র পানীয়জল সংকটের কারনে চরম ভোগান্তিতে পড়েছে স্থানীয়রা। দীর্ঘদিন ধরে পানি সংকট নিরসনে কার্যকর কোন দীর্ঘ মেয়াদী ব্যবস্থা গ্রহন না করার কারনে স্থানীয়রা তীব্র পানি সংকটের মধ্যে দিন পার করছে।

উপজেলা সদরে অবস্থিত উপজেলা প্রশাসন এর অফিস কোয়ার্টার ও প্রায় শতাধিক বেসরকারি কোয়ার্টার ও চার টি মসজিদ ৩টি বড় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে একমাত্র পানি সরবরাহ উৎস উপবন পর্যটন লেক এর পানি সরবরাহ প্রকল্প। উক্ত লেক থেকে পানি সরবরাহ হলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল।
আরো জানা গেছে, উপজেলাটিতে কিছু সরকারী ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে রিংওয়েল রয়েছে যেখানে পানির জন্য সকাল সন্ধ্যা থাকে লম্বা লাইন।
এবিষয়ে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী শাহ আজিজ এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি পানিসংকট এর সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, উপবনের পানি কমে যাওয়ায় এবং আশেপাশে অন্যকোন সরবরাহ না থাকা ও জেলা পরিষদ হতে অতি অল্প পরিমান রিংয়েল বরাদ্ধ দেয়ায় সমস্যা তৈরী হচ্ছে।

অপরিকল্পিত ভাবে বাধ নির্মাণ ও যথাযথ প্রয়োজনীয় স্থানে বাধ নির্মান না করে দলীয়করণ ও স্বজন প্রীতি ও উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার উদাসিনতার কারনে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড হতে অনুমোদিত একনেক এ বাস্তবায়িত বাধ সমুহ বিভিন্ন বাগান মালিক সরকার দলীয় নেতাকর্মীরা লুটপাট করে।
জানা গেছে, উন্নয়ন বোর্ড হতে অনুমোদিত প্রতিটি বাধ প্রায় দশ লক্ষ টাকা বা অধিক পরিমান টেন্ডার মূল্যে থাকে, তদারকি দায়িত্বে থাকা উন্নয়ন বোর্ড ও জেলা মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয় এর যোগসাজস করে দু লক্ষ টাকা পরিমান মাটি কেটে দুর্গম ও অপ্রয়োজনীয় স্থানে বাধ নির্মান করে বাকী টাকা ভাগ ভাটোয়ারা হয়ে যায়।
উল্লেখ্য, নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা সদরে জনবহুল মসজিদ ঘোনা যৌথ খামার এলাকার শতাধিক পরিবারের ব্যবহার ও চাষাবাদ এর একমাত্র উৎস যৌথ খামার গোধা যা গত তিন বছর থেকে পরিত্যক্ত হয়ে বর্তমানে পানিশূন্য অবস্থায় পড়ে আছে।

উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার একনেক প্রকল্প এর আওতাভুক্ত করে প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর এর সুপারিশসহ এই বাধ পুনর্নির্মাণ এর আবেদন করেছিল এলাকাবাসী কিন্তু দলীয়করণ এর প্রভাব ও আর্থিক লেনদেন সাপেক্ষে মাত্র ১২ টি বাধ নির্মানে টেন্ডার আহব্বান করা হয়, যার অধিকাংশ লুটপাট হয়েছে।

উপজেলা মৎস কর্মকর্তার কার্যালয় এর সহকারী মৎস কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ বাবু কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি বার বার জেলা পরিষদে জেলা মৎস কর্মকর্তা বরাবর এই প্রয়োজনীয় মসজিদ ঘোনা বাধ নির্মাণকরত ব্যবস্থা গ্রহনে সুপারিশ সহ প্রেরণ করার কাগজ দেখান কিন্তু কেন কি কারনে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না তা বোধগম্য নয় বলে জানান।

আরও পড়ুন
2 মন্তব্য
  1. ছিঁপ নৌকা বলেছেন

    তাই নাকি।খাবার পানি নাকি ব্যবহার এর পানি

  2. Sayfuddin Shemol বলেছেন

    নিউজ পড়েন।

আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না।