বর্ষা মৌসুমে বান্দরবানে ভূমিধসে প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। পাহাড় ধসে মৃত্যুর জন্য মানুষের অসচেতনাতাকে দায়ী করেন সংশ্লিষ্টরা। আর এ জনসচেতনতার জন্য ভূমিধস বিষয়ক মহড়া অনুষ্ঠিত হয়েছে পার্বত্য জেলা বান্দরবানে।
সোমবার (১৯আগস্ট) বিকেলে বান্দরবানের কাইচতলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এ মহড়া অনুষ্ঠিত হয়।
কারিতাস বাংলাদেশ চট্টগ্রাম অঞ্চল ও স্থানীয় এনজিও হিউম্যানিটারিয়ান ফাউন্ডেশন যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত ‘‘বাংলাদেশে ভূমিধসের পূর্ব সতর্কতা এবং আগাম পদক্ষেপ গ্রহণে সহায়তামূলক প্রকল্প” এর আওতায় এ মহড়া অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,বান্দরবান সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) উম্মে হাবীবা মীরা।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সুয়ালক ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান উক্যনু মারমা, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন ।

এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন, কারিতাস বাংলাদেশের বান্দরবান ইউনিটের প্রকল্প ব্যবস্থাপক রামবাদু ত্রিপুরা (স্টিভ), হিউম্যানিটারিয়ান ফাউন্ডেশনের প্রকল্প সমন্বয়ক মানব কল্যাণ চাকমা, প্রকল্পের উপজেলা সমন্বয়ক রূপম চাকমা প্রমুখ ।
কারিতাস বাংলাদেশের বান্দরবান ইউনিটের প্রকল্প ব্যবস্থাপক রামবাদু ত্রিপুরা (স্টিভ) বলেন, প্রকল্প এলাকায় ভূমিধসের ঝুঁকিপূর্ণ পাড়া বা স্থানসমূহ আমরা চিহ্নিত করেছি। প্রকল্পের নির্বাচিত সকল ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় এই সচেতনতাবৃদ্ধিমূলক মহড়া স্থানীয় ভাষায় আয়োজন করা হবে। ভূমিধস বিষয়ে মানুষ সচেতন হলে পাহাড়ে প্রাণহানি ও সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি কমে যাবে।
সুয়ালক ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান উক্যনু মারমা বলেন, কারিতাস দীর্ঘদিন ধরে পাহাড়ে দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও মোকাবেলার জন্য কাজ করে আসছে। জনগণ সচেতন হলে ভূমিধসের ক্ষয়-ক্ষতি কমে যাবে।
বান্দরবান সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) উম্মে হাবীবা মীরা প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন, ভূমিধসের উপর এইরকম জনসচেতনতামূলক মহড়া একটি নতুন উদ্যোগ। এই মহড়ার মাধ্যমে দূর্যোগ প্রস্তুতি ও মোকাবেলার বিষয়টি প্রাণবন্তভাবে ফুটিয়ে উঠেছে। জনবান্ধব, জনসচেতনতামূলক কার্যক্রমে প্রশাসন সবসময় পাশে থাকবে।
পাহাড়ধসের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসরত জনগোষ্ঠীকে বৃষ্টিপাত জনিত ভূমিধসের মত দুর্যোগের প্রতি সহনশীলতা অর্জন করার পাশাপাশি সক্ষমতা বৃদ্ধি করায় প্রকল্পের লক্ষ্য।



