পাহাড়বার্তায় সংবাদ প্রকাশের পর সেতুর এপ্রোজ কাজের জন্য মিলেছে বরাদ্দ

বমুবিলছড়ির মাতামুহুরী নদীর ওপর নির্মিত সেতুটি উভয় পাশে চলছে রিটার্নিং ওয়ালের কাজ
সেতু মানে দুটি এলাকার মাঝে যোগাযোগের বন্ধন তৈরি করা বা পৃথক দুই এলাকাকে এক সুতোয় গেঁথে দেওয়া। এলাকার উন্নয়নে এবং যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ করে তুলতে এই সেতুর গুরুত্ব অনেক। সেতুর এক পাশে মাটি ভরাট না করায় কক্সবাজারের চকরিয়ার সিটমহল খ্যাত বমুবিলছড়ির মাতামুহুরী নদীর ওপর নির্মিত সেতুটি গত চার বছর ধরে অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে ছিল। এতে ইউনিয়ন সদরের সাথে ৫ গ্রামের ও লামা উপজেলারবাসীর সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে দূর্ভোগ পড়েন ১০ হাজার মানুষ।
গত ৩১ মার্চ অনলাইন নিউজ পোর্টাল পাহাড়বার্তা ডটকম এ গত ১ এপ্রিল ‘প্রাণহীন এলজিইডির সেতু, দুর্ভোগে লামাবাসী’ শীর্ষক শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশিত হলে চকরিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান ও নির্বাহী অফিসারের দৃষ্টি আকর্ষন হয়। এক পর্যায়ে চলতি অর্থ বছরে সেতুটির এপ্রোজের কাজের জন্য এডিবি’র মাধ্যমে ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকার প্রকল্প বরাদ্দ দেন, উপজেলা চেয়ারম্যান মো. জাফর আলম। বরাদ্দ পাওয়ার পর ইতিমধ্যে কাজ শুরু করে দিয়েছে ঠিকাদার।
উল্লেখ্য, ২০১৩-২০১৪ অর্থবছরে প্রায় ৭ কোটি টাকা ব্যয়ে উপজেলার বমুবিলছড়ি ইউনিয়নের মাতামুহুরী নদীর ওপর বমুরমুখ এলাকায় সেতুটি নির্মাণ করে এলজিইডি কর্তৃপক্ষ। কিন্তু সেতুর নির্মাণ কাজ শেষ হলেও সংযোগ সড়ক ভরাটের মাটি না পাওয়ার অজুহাতে ঠিকাদার কাজ শেষ না করইে চলে যায় ঠিকাদার।
বমুবিলছড়ি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতা কফিল উদ্দিন বলেন, এখন রিটার্নিং ওয়ালের কাজ চলছে। কয়েক দিনের মধ্যে মাটি ভরাটের মাধ্যমে এপ্রোজ কাজ সম্পন্ন হবে।
মাতামুহুরী নদীর বমুবিলছড়িতে নির্মিত সেতুটির উত্তর মাথার সংযোগ সড়কের এপ্রোজের কাজের জন্য ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দের সত্যতা নিশ্চিত করে চকরিয়া উপজেলা প্রকৌশলী রনি সাহা বলেন, কয়েকদিনের মধ্যে সেতুটির এপ্রোজের কাজ শেষ হলে স্থানীয়দের দুর্ভোগ লাঘব হবে।

আরও পড়ুন
আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না।