পাহাড়ি ভাতা চালু করা’সহ শিক্ষা ব্যবস্থা জাতীয়করণের দাবি

স্বাশিপ মুজিব আদর্শের সংগঠন, বঙ্গবন্ধু শিক্ষা ব্যাবস্থাকে উন্নতি করেছেন। তিনি বেঁচে থাকলে আজ জাতীয়করণ আন্দোলন করতে হতো না, কিন্তু বিএনপি ক্ষমতায় এসে কল্যাণ ট্রাস্ট বন্ধ করে অপুরনীয় ক্ষতি করেছে। প্রধানমন্ত্রীর কল্যাণ ট্রাস্টে ব্যাপক অনুদান দিয়ে তা পুনরায় সচল করেন।

পুরো শিক্ষা ব্যাবস্থা কে জাতীয়করণ করা এখন যৌক্তিক দাবি বলে মন্তব্য করেন, স্বাশিপে (স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদ)’র সাধারন সম্পাদক ও বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারী কল্যাণ বোর্ডের সচিব মো. শাহাজাহান সাজু।

তিনি আরো বলেন, ঘরে ঘরে শিক্ষার আলো পৌঁছে দেবার জন্য আমরা জাতীয়করণ চাই। জাতীয়করণ আন্দোলনের সাথে একাত্বতা ঘোষণা করেন তিনি। পাহাড়ি ভাতা যৌক্তিক দাবি মন্তব্য করে তিনি আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সাথে কথা বলে দাবি বাস্তবায়নে আশ্বস্ত করেন তিনি। এছাড়াও শিক্ষকদের শিক্ষকসুলভ আচরণে নিজেদের সজাগ থাকার কথা বলেন তিনি।

জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদের উদ্যােগে আজ শনিবার ২০ আগষ্ট সকাল ১১টার দিকে মাটিরাঙ্গা উপজেলা পরিষদের অডিটোরিয়ামে দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথীর বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

এর আগে ফ্রিডম স্কোয়ারে জাতীর পিতা বঙ্গবুন্ধ শেখ মুজিবুর রহমান এরঁ প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন শিক্ষক নেতারা।

স্বাশিপ পরিষদের খাগড়াছড়ি জেলার সাধারন সম্পাদক তাইন্দং ও উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রেজাউল করিম এর সঞ্চালনায় সভায় স্বাশিপ, পরিষদের খাগড়াছড়ি জেলার সভাপতি মো:আমজাদ হোসেন চৌধুরীর সভাপতিত্বে চট্রগ্রাম বিভাগের স্বাশিপ, পরিষদের সাধারন সম্পাদক অধ্যাপক পার্থ সারথি চৌধুরী প্রধান বক্তা হিসাবে বক্তব্য রাখেন।

এসময় পানছড়ি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এর অধ্যক্ষ সমীর দত্ত, মাটিরাঙ্গা পৌরসভার মেয়র মো: শামছুল হক, পার্বত্য জেলা পরিষদের শিক্ষা বিভাগের আহবায়ক অধ্যাপক নিলোৎপল খীসা, জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার উত্তম খীসা,স্বাশিপ পরিষদের কেন্দ্রীয় যুগ্ন-সাধারন সম্পাদক ও সদস্য বে-সরকারি শিক্ষক-কর্মচারি কল্যাণ বোর্ডের অধ্যক্ষ সলিম উল্লাহ সেলিম, স্বাশিপ কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও সভাপতি প্রধান শিক্ষক কেন্দ্রীয় পরিষদের আবদুল্লাহ আল মামুন, স্বাশিপ পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির তথ্য প্রযুক্তি সম্পাদক রতন পিটার গোমেজ বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন।

অনুষ্ঠানে পাহাড়ি ভাতা চালু করা, বদলি বাস্তবায়ন করা, শিক্ষক লাঞ্ছিত বন্ধে কঠোর আইন করাসহ পুরো শিক্ষা ব্যাবস্থা জাতীয়করণ করার দাবি জানন শিক্ষকরা।

এ সময় অন্যান্যের মাঝে তবলছড়ি আলিম মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মো: সাইফুল ইসলাম মাটিরাঙ্গা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো: আবুল হাশেম, শান্তিপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো: মোস্তফা কামাল, গোমতি বিকে উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো:নুরুল হুদা, সহ জেলা বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্টানের প্রধান শিক্ষক সহকারি শিক্ষক সাংবাদিক সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে এমপিওভুক্ত বেসরকারি স্কুল,কলেজ,মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবসরপ্রাপ্ত ২৭ জন শিক্ষক কর্মচারীকে ইএফটির মাধ্যমে ৮০ লক্ষ ৪৯ হাজার ৭৮৯ টাকা প্রদান করা হয়।

আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না।