“পাহাড় ধসে প্রকৃতি ও মানুষ কতটুকু দায়ী” অনুসন্ধানকারী কমিটির সভা

পাহাড় ধসে প্রকৃতি ও মানুষ কতটুকু দায়ী তা অনুসন্ধানের জন্য গঠিত কমিটির সভা রাঙামাটিতে অনুষ্ঠিত হয়
পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির ২৫তম বৈঠকের সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে মন্ত্রণালয় থেকে তিন পার্বত্য জেলায় সংঘঠিত পাহাড় ধসে প্রকৃতি ও মানুষ কতটুকু দায়ী তা অনুসন্ধানের জন্য গঠিত কমিটির এক সভা শনিবার সকালে রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (সমন্বয়) ও কমিটির আহব্বায়ক মানিক লাল বনিক। সভায় পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপসচিব (সমন্বয়-২) এ এস এম শাহেন রেজা, খাগড়াছড়ি জেলার এডিসি ড. মোঃ গোফরান ফারুকী, রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা ছাদেক আহমদ, খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ নুরুজ্জামান, রাঙামাটি অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট মোহাম্মদ শাহাদাৎ হোসেন, রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য সবির কুমার চাকমা, পরিষদের সদস্য রেমলিয়ানা পাংখোয়া, খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য মোঃ আব্দুল জব্বার, রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের নির্বাহী প্রকৌশলী কাজী আব্দুস সামাদ, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ মুজিবুল আলম, রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মনতোষ চাকমা, জনসংযোগ কর্মকর্তা অরুনেন্দু ত্রিপুরা, রাঙামাটির জেলা ত্রান কর্মকর্তা বিশ্বনাথ মজুমদার, খাগড়াছড়ি জেলার ডিআরআরও এসএম শান্তুনু চৌধুরী, রাঙামাটি জেলা প্রশাসকের সহ-কমিশনার মোঃ ফারুক সুফিয়ান, রাঙামাটি প্রেস ক্লাবের সভাপতি সাখাওয়াৎ হোসেন রুবেল, খাগড়াছড়ি সওজ এর উঃবিঃপ্রঃ মোঃ আব্দুস সহিদ, রাঙামাটি প্রেস ক্লাবের প্রাক্তন সভাপতি প্রবীন সাংবাদিক সুনীল কান্তি দে’সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাগন উপস্থিত ছিলেন।
গত ১৩জুন তিন পার্বত্য জেলায় পাহাড় ধসের কারণ হিসেবে সভায় বক্তারা, অতিরিক্ত বৃষ্টিপাত, ঘন ঘন বজ্রপাত, অপরিকল্পিতভাবে পাহাড় কেটে ঘরবাড়ী নির্মাণ, বন উজাড়, ভারী যানবাহন, অপটিক্যাল ফাইবার লাইন স্থাপন, রাস্তার পাশে জুম চাষ’সহ বিভিন্ন কারণগুলো উপস্থাপন করেন।
সভায় রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ সদস্য সবির কুমার চাকমা বলেন, তিন পার্বত্য জেলায় সম্প্রতি যে পাহাড় ধস ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে তা কাটিয়ে উঠতে অনকে সময় লাগবে। বিশেষ করে রাঙামাটিতে শহরের পাশাপাশি অন্যান্য উপজেলায় পাহাড় ধস ও বন্যায় ঘরবাড়ী, ফলজ-বনজ বাগান ও ধান্য জমির যে পরিমান ক্ষতি হয়েছে তা সরোজমিনে গিয়ে না দেখলে বুঝা সম্ভব নয়। তাই শহর এলাকাসহ অন্যান্য উপজেলাগুলোতেও নজর দেওয়ার পাশাপাশি এ জেলার উন্নয়নে পরিষদের বাজেট বৃদ্ধিরও আবেদন জানান তিনি।
পার্বত্য জেলায় ভূমি ধস ও বন্যায় ক্ষতিগুলো পুষিয়ে নিতে সভায় উত্থাপিত পয়েন্টগুলো পার্বত্য মন্ত্রাণালয়ের স্থায়ী কমিটির সভায় উপস্থাপন করা হবে বলে জানান মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (সমন্বয়) ও কমিটির আহব্বায়ক মানিক লাল বনিক।

আরও পড়ুন
আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না।