প্রধানমন্ত্রী স্বজন হারানোর ব্যাথায় ব্যথিত বলেই পাহাড়ে ভ্রাতৃঘাতী সংঘাত বন্ধের উদ্যোগ নিয়েছিলেন : পরিকল্পনা মন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অতি আন্তরিক এবং স্বজন হারানোর ব্যাথায় ব্যথিত বলেই পার্বত্য চট্টগ্রামে ভ্রাতৃঘাতী সংঘাত বন্ধ করার উদ্যোগ নিয়েছিলেন, যার ফসল আজকের পার্বত্য চুক্তি। সরকারের পরিকল্পনায় রয়েছে পার্বত্য চট্টগ্রামের পরিকল্পিত উন্নয়ন। মানুষের চাহিদার প্রতি দৃষ্টি রেখে কাঙ্খিত উন্নয়ন করে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে উন্নয়নের মূল স্রোতধারায় নিয়ে আসতে সরকার খুবই আন্তরিক এবং সে লক্ষেই উন্নয়ন কর্মকান্ড পরিচালিত হচ্ছে। পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতার স্বার্থে সবাইকে সহনশীল হতে হবে।

আজ রোববার (১৬ জানুয়ারি) রাজধানীর গুলশানে হোটেল আমারিতে “সম্প্রীতি, সমৃদ্ধি ও উন্নয়নঃ ২১ শতকে পার্বত্য চট্টগ্রাম” শীষক গোলটেবিল বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পরিকল্পনা মন্ত্রী এম এ মান্নান, এমপি এ কথা বলেন।

দৈনিক ভোরের কাগজ ও আইএলডিএস এর আয়োজনে আজ সকাল ১১ টায় শুরু হওয়া গোল টেবিল বৈঠকে সঞ্চালকের দায়িত্ব পালন করেন দৈনিক ভোরের কাগজ এর সম্পাদক শ্যামল দত্ত। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি ও আইএলডিএস এর ভাইস চেয়ারম্যান প্রফেসর আবদুল মান্নান।

সৈয়দ মোঃ জমিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং, এমপি, সাংসদ সদস্য এরোমা দত্ত, প্রাক্তন সচিব ও পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান নববিক্রম ত্রিপুরা, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান নিখিল কুমার চাকমা।

এছাড়াও প্যানেল আলোচক হিসেবে আলোচনায় অংশ নেন, বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ক্যশৈহ্লা, সাংবাদিক মনিরুল ইসলাম মনু, আইনজীবি ইকবাল করিম, সমাজকর্মী ফিলিপ ত্রিপুরা প্রমুখ।

আরও পড়ুন
আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না।