প্রবারণাকে ঘিরে রোয়াংছড়িতে সাজসাজ রব

রোয়াছড়িতে প্রবারণার জন্য তৈরী করা হচ্ছে কড়ইল পঙ্খী রাজের রথ
বর্ণিল আয়োজনে বান্দরবানের রোয়াংছড়ি উপজেলা ৭৯টি বৌদ্ধ বিহারে বৌদ্ধ ধর্মালম্বীদের প্রবারণা পূর্ণিমা উদযাপনের লক্ষ্যে নানা শ্রেণির পেশার মানুষ পুরোদমে প্রস্তুতি নিচ্ছে। বৌদ্ধদের ধর্মের মহোৎসব হচ্ছে মাহাওয়াগ্যোয়াই পোয়ে: বা প্রবারণা পূর্ণিমা ৫দিন ব্যাপি উদযাপিত হবে। এ উৎসবকে ঘিরে সাজিয়ে তোলা হচ্ছে বৌদ্ধ বিহারকে।
সূত্রে জানা গেছে, বৌদ্ধ ভিক্ষুরা আষাঢ়ী পূর্ণিমার থেকে প্রবারণা পূর্ণিমা পর্যন্ত ৩মাস ব্যাপি বর্ষবাসরত থাকে। এই ৩মাসের বর্ষবাসের পর ভক্তরা বৌদ্ধদের প্রধান ধর্র্মীয় উৎসব উদযাপনের লক্ষ্যে প্রবারণা উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপন করে থাকে। ঐতিহ্যবাহি পিঠা তৈরী,ফানুস উড়ানো,বয়োজ্যেষ্ঠদের পূজা উপকরণ সংগ্রহ,ভিক্ষু সংঘদের উদ্দেশ্যে পিন্ড দান,বুদ্ধ প্রতিবিম্ব স্নান,হাজার প্রদীপ প্রজ্জ্বলন,কড়ইল পঙ্খীরাজ সহ সাংস্কৃতিক আয়োজনে মধ্যে দিয়ে অনুষ্ঠিত হবে। প্রবারণা পূর্ণিমা উৎসব আগামী ২৪শে অক্টোবর বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।
উৎসব উদযাপন কমিটির আহবায়ক মংহাইনু মারমা বলেন, প্রবারণায় এবার তৈরী করা হচ্ছে কড়ইল পঙ্খী রাজের রথ যাত্রা। প্রবারণা উৎসবকে ঘিরে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করেছে উৎসব উদযাপন কমিটি। বিভিন্ন সম্প্রদায় মানুষ এ উৎসবের উপভোগ করতে পারবেন।
রোয়াংছড়ি ১নং সদর ইউপি চেয়ারম্যান চহ্লামং মারমা জানায়, যথাযথ ধর্মীয় উৎসব পালনে সরকার থেকে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের অনুষ্ঠান উপলক্ষ্যে প্রত্যেকটি বৌদ্ধ বিহারকে ৫শত কেজি খাদ্য শস্য চাল বরাদ্দে দেয়া হবে।
কমিটি উপদেষ্টামন্ডলী ও উপজেলা চেয়ারম্যান ক্যবামং মারমা জানায়, প্রবারণা পূর্ণিমার শান্তি পূর্ণভাবে উদযাপন করতে পারে, সে দিকে লক্ষ রেখে উপজেলার পরিষদের পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতা থাকবে। এই মহা ধর্মীয় অনুষ্ঠান মাধ্যমে দেশ বাসিদের জন্যে মঙ্গল কামনার্থে প্রার্থনা করা হবে।

আরও পড়ুন
আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না।