প্রাণীর প্রাণ যায় : বন্ধ থাকে থানছি প্রাণী সম্পদ কার্যালয়

থানছি প্রাণী সম্পদ কার্যালয় দিনের পর দিন বন্ধ থাকায় চিকিৎসা নিতে আসার পর কার্যালয়ের মেঝেতে মারা যায় ছাগলগুলো
বান্দরবানে থানছি উপজেলায় অজ্ঞাত রোগে আক্রান্ত হয়ে ভেড়া ছাগলসহ বিভিন্ন পশু পাখি মারা যাচ্ছে। প্রাণী সম্পদ কার্যালয়ের চিকিৎসকসহ কর্মচারীদের টানা অনুপস্থিতির কারনে সু-চিকিৎসার অভাবে এসব গবাদি পশু মারা যাচ্ছে বলে ধারনা করছেন এলাকাবাসী ।
রাজিয়া বেগম জানান, ২০১৫ সালে প্রাণী সম্পদ কার্যালয় হতে বিনা মূল্যে ৩টি ভেড়া ছাগল পালনে সুযোগ পেয়েছি। ৩টা ছাগল হতে ৮টা ছাগল এর মধ্যে ২-৩ টা হঠাৎ অসুস্থ অবস্থায়। সু -চিকিৎসা জন্য উপজেলা প্রাণী সম্পদ কার্যালয়ে নেয়া হলে ছাগল মারা যায়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত দুই দিনে উপজেলার সাংগু সেতু সংলগ্ন পাড়া নিবাসী রাজিয়া বেগম এর ২টি ছাগল,বকুল আক্তার এর ১টি ভেড়া মারা গেছে । কয়েকদিনে আরো অনেকের বিভিন্ন পশু মারা গেছে বলে জানা যায়।
ছাংদাক পাড়া নিবাসী মংথুইনু মারমা জানান, আমাদের পাড়ায় গত কয়েক দিনের অনেকে কবুতর, শুকরও মারা গেছে । কি কারনে মারা গেছে চিকিৎসক না থাকায় বলা সম্ভব হচ্ছে না।
জানা গেছে, ২০১৫ সালে উপজেলা প্রাণী সম্পদ কার্যালয় থেকে হত দরিদ্র ২০ পরিবারকে বিনামূল্যে ৩টি করে ভেড়া ও ছাগল প্রদান করা হয়। সরকারের লক্ষ্য ছিল ঐ পরিবার গুলো স্বাবলম্বী হয়ে নিজেদের পায়ে দাঁড়াবে । কিন্তু প্রাণি সম্পদ কার্যালয়ে দায়িত্বরত কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের টানা অনুপস্থিতির কারনে স্থানীয়রা তাদের পশুগুলো অসুস্থ হলে চিকিৎসকদের দেখাতে পারেন না।
প্রানী সম্পদ কার্যালয়ের পাশে বসবাস করা রনজুর মিস্ত্রি জানান, গত এক মাস ধরে প্রাণি সম্পদ অফিস খোলা দেখা যায়নি, সেখানে মানুষ তাদের প্রাণীদের কিভাবে চিকিৎসা করাবেন।
এই ব্যাপারে উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ আশরাফুল ইসলাম বলেন, গরমে গবাদি পশু স্ট্রোকে মারা যেতে পারে। মালিকরা একটু কষ্ট করে ছায়ায় রাখলে পশু রক্ষা পাবে। তিনি আরো বলেন, আমি ছুটি নিয়ে বাড়ীতে অবস্থান করছি। কর্মচারীরা ও গরমের জন্য চলে আসছে বোধ হয়। কর্মচারীদের সাথে যোগাযোগ করে আপনাকে (সাংবাদিক) জানাবো ।

আরও পড়ুন
Loading...