প্রাণ নাশের হুমকিতে এলাকা ছাড়া জোছনা

কাপ্তাইয়ে অনুমতি ছাড়া স্বামীর ২ বিয়ে

রাঙামাটির কাপ্তাই প্রেস ক্লাবে বৃহস্পতিবার (৮ই অক্টোবর) দুপুরে সংবাদ সম্মেলন করেছে স্বামী ও দেবরদের অত্যাচার এবং প্রাণ নাশের হুমকিতে গত ৪ বছর যাবত এলাকাছাড়া চার সন্তানের জননী জোছনা আক্তার।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন, কাপ্তাইয়ের রাইখালী ইউনিয়নের মৃত রহম আলীর ৪র্থ সন্তান মো. ওসমানের স্ত্রী মোছাম্মৎ জোছনা আক্তার। এসময় উপস্থিত ছিলেন, জোছনা আক্তারের ভাই মো. হেলাল উদ্দিন এবং দুলাভাই বাদশা হাওলাদার ।

লিখিত বক্তব্য পাঠকালে জোছনা আক্তার বলেন, ৩ মেয়ে এবং ১ ছেলে থাকা শর্তেও আমার অনুমতি ছাড়া ২টি বিয়ে করেছে স্বামী ওসমান। শুধু ২টি বিয়েই নয়, এছাড়া অনেক মেয়েদের সঙ্গেও অবৈধ সম্পর্কে জড়িয়েছেন তিনি। আমাকে দীর্ঘদিন শারীরিক অত্যাচার করায় ২০১১সালে চন্দ্রঘোনা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করি। পরে স্বামী ওসমান, ভাশুর মো. রফিক, মো. হানিফ ও ইব্রাহিম কর্তৃক প্রাণ নাশের হুমকি ও পরিবার ছেড়ে বিতরণের নানান ষড়যন্ত্র করেন।

জোছনা আক্তার আরও বলেন, ২০ লাখ টাকার প্রস্তাবকৃত ‘নিকাহ নামা’য় আমার ভরণপোষণ সঠিকভাবে প্রদান করার অঙ্গীকার করলেও দীর্ঘদিন যাবত স্বামী ওসমান আমার ও সন্তানদের ভরণপোষণ দিচ্ছেন না। ৯বছর আগে দায়ের করা মামলায় ওয়ারেন্ট হলেও এখনো তিনি পুলিশের হাতে আটক হয়নি। অথচ স্বামী ওসমান এবং আমার ভাশুর মো. রফিক, মো. হানিফ ও ইব্রাহিমের দেওয়া প্রাণ নাশের হুমকিতে জীবন বাঁচাতে গত ৪ বছর ধরে এলাকা ছাড়া আমি। ৪ সন্তানের দিকে তাকিয়ে হলেও আমি চাই সংসারটা যেন পুনরায় গড়ে উঠে। ন্যায় বিচার প্রাপ্তির আশায় প্রশাসনের দপ্তরে দপ্তরে ঘুরেও বিচার না পাওয়ার অভিযোগ করেন জোছনা আক্তার ।

এ বিষয়ে চন্দ্রঘোনা থানা অফিসার ইনচার্জ ইকবাল বাহার চৌধুরী বলেন, তার বর্তমান ঠিকানা আমরা চিহ্নিত করতে চেষ্টা চালাচ্ছি। নিশ্চয় খুব শীঘ্রই ওয়ারেন্ট ভুক্ত আসামী ওসমানকে আটক করা হবে।

আরও পড়ুন

আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না।