বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে শেখ হাসিনা কাজ করে যাচ্ছে : বীর বাহাদুর

আওয়ামীলীগের ৭০তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে কেক কাটছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ বাস্তবায়নের লক্ষে বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তারই ধারাবাহিকতায় বর্তমান সরকার পার্বত্য অঞ্চলের উন্নয়নে যে কাজ করে যাচ্ছে তা অতীতে কোন সরকার করেনি। জেলা শহরের বঙ্গবন্ধু মুক্তমঞ্চ প্রাঙ্গনে আওয়ামী লীগের ৭০তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি একথা বলেন।
বান্দরবানে নানা আয়োজনের মধ্যদিয়ে সংগ্রাম ও অর্জনের গৌরবময় পথচলায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ৭০তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত হয়েছে। এই উপলক্ষে প্রথমে রবিবার সকালে শহরের জেলা আওয়ামী লীগের স্থায়ী কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্যে দিয়ে অনুষ্ঠানের সুচনা করা হয়।
পরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পূষ্পমাল্য অর্পন, এক মিনিট নিরবতা পালন ও বিশেষ মোনাজাত করা হয়। পরে প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে বিকালে বঙ্গবন্ধু মুক্তমঞ্চ প্রাঙ্গন থেকে এক বিশাল বর্ণাঢ্য আনন্দ র‌্যালি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে পুনরায় বঙ্গবন্ধু মুক্তমঞ্চে আয়োজিত সমাবেশে মিলিত হয়। এ সময় বান্দরবান জেলা আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ শফিকুর রহমানের সভাপতিত্বে সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আবদুর রহিম চৌধুরী, পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের সদস্য কাজল কান্তি দাশ, সাধারণ সম্পাদক ও পৌর মেয়র মোহাম্মদ ইসলাম বেবী, যুগ্ম সম্পাদক ল²ীপদ দাশ, সাংগঠনিক সম্পাদক মোজাম্মেল হক বাহাদুর, পৌর কাউন্সিলর মোঃ হাবিবুর রহমান খোকন, অজিত কান্তি দাশ, সালেহা বেগম, পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি অমল কান্তি দাশ, সাধারণ সম্পাদক মোঃ সামশুল ইসলাম, সাবেক ছাত্রনেতা চৌধুরী প্রকাশ বড়–য়া, মোঃ মহিউদ্দিনসহ প্রমুখ।
সমাবেশে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম না হলে আজ আমরা এই স্বাধীন দেশ পেতাম না। আজ আমরা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে স্বাধীন বাংলাদেশ ও একটি পতাকা পেয়েছি।
অনুষ্ঠান শেষে, কেক কেটে প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর আয়োজনের আনুষ্ঠানিকতা পালন করা হয় এবং সমাবেশে উপস্থিত নেতা ও কর্মীদের মাঝে প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর কেক ও মিষ্টি বিতরণ করা হয়।

আরও পড়ুন

আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না।