
মঙ্গলবার সকাল ১০টায় রাঙামাটি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউটের মিলনায়তনে বেসরকারি সংগঠন জাবারাং কল্যাণ সমিতি, টংগ্যা এবং হিউম্যানিটারিয়ান এর উদ্যোগে আয়োজিত পার্বত্য ভিসিএফ সম্মেলন উদ্বোধনকালে বৃষ কেতু চাকমা এসব কথা বলেন।
বান্দরবানের আলীকদম ২৮৭নং তৈন মৌজার হেডম্যান মংক্যনু মার্মার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সম্মেলনে অন্যান্যদের মাঝে আরও বক্তব্য রাখেন জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সাবেক সদস্য নিরূপা দেওয়ান, রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ সদস্য রেমলিয়ানা পাংখোয়া, ইউএনডিপি-সিএইচটিডিএফ এর কর্মকর্তা বিল্পব চাকমা এবং টংগ্যা’র নির্বাহী পরিচালক বিল্পব চাকমা।
পরে অতিথিরা ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনিস্টিটিউট প্রাঙ্গণে বিভিন্ন ফলদ ও বনজ চারা রোপন করেন। সম্মেলনে তিন পার্বত্য জেলার প্রায় দেড় শতাধিক ভিসিএফ প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।
পার্বত্য চট্টগ্রাম গ্রামীণ সাধারণ বন ঘোষণা ২০১৭-এ নিম্নোক্ত দাবিসমূহ উত্থাপন করা হয়েছে: বিদ্যমান আইন ও নীতিসমূহের মধ্যে সমন্বয় এবং ভিসিএফসমূহের আইনগত সুরক্ষা, অধিগ্রহণ ও আগ্রাসী বৃক্ষ চাষাবাদ নিরুৎসাহিতকরণ, প্রাকৃতিক বন ও প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবস্থাপনায় স্থানীয় জনগোষ্ঠির অবদান উৎসাহিতকরণ, ভিসিএফসমূহের সীমানা নির্ধারণ, পার্বত্য জেলা পরিষদের নথিতে ভিসিএফ সমূহের নিবন্ধন,ভিসিএফ সমূহের অভ্যন্তরীণ সক্ষমতা উন্নয়ন এবং বিকল্প জীবিকায়ন ও খাদ্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ।



