তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে লিকেন, “রাস্তা দেখে আমরা একবারেই থ। কারন এত সুঊচ্চ রাস্তা, প্রচুর ধুলা আর একটু পর পর বড় বড় পাথর যারা হেটে হেটে পাহাড়ে উঠছেন তারাই যেন অনেক কষ্টে ছোট বাস হাতে দিয়ে তারা খুবই কষ্ট করে উপরের দিকে বেয়ে যাচ্ছেন। যাই হোক, আমরা কোন ভাবে কষ্ট করে সবাই কম বেশি একটু একটু হোচট খেয়ে এক পর্যায়ে আমরা কেউক্রাডং উপর চলে আসলাম। প্রচন্ড খুদা পেটে, উঠেই পেট ভরে ভাত খেলাম। তার পর গেলাম নিয়োজিত কর্মকর্তাদের কাছে অনুমতি নিয়ে আমরা চলে গেলাম কেউক্রাডং চুড়ায়।
তিনি আরো লিখেন, বিশ্বাস করতেই কষ্ট হয়ে যাচ্ছিল আমরা পেরেছি এত কঠিন রাস্তা, এত কঠিন এর ভয়ানক রাস্তা। আল্লাহ কাছে হাজার হাজার শুকরিয়া আমরা পেড়েছি।
এই ব্যাপারে নাভিদ ইসতিয়াক তরু বলেন, বাইক প্রেমের নিদর্শন স্বরুপ রাস্তাগুলোতে চাকার দাগ ফেলানোটাই লক্ষ্য হয়ে উঠল। আর আজ তা বাস্তবে। ইতিমধ্যে আমরা বাংলাদেশের অনেকগুলো জেলায় ঘুরে বেড়িয়েছি। আমাদের মধ্যে কারো কারো ৬৪ জেলায় বাইকের চাকা ঘুরেছে।
কেওক্রাডং বান্দরবান জেলার রুমা উপজেলায় অবস্থিত। যা বাংলাদেশের পঞ্চম উচ্চতম পর্বত। এর উচ্চতা ৯৮৬ মিটার (৩২৩৫ফুট প্রায়, জি পি এস রিডিং হতে প্রাপ্ত)। তবে সরকারি তথ্য মতে, এটি দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পবতশৃঙ্গ। এর উচ্চতা প্রায় ৪৩৩০ ফুট।
প্রসঙ্গত, নাভিদ ইসতিয়াক তরু দৈনিক কালের কন্ঠের স্টাফ ফটোগ্রাফার হিসাবে কর্মরত থাকার আগে ফটোগ্রাফার হিসাবে বাংলানিউজ২৪ডটকম এ কর্মরত ছিলেন।
3 মন্তব্য
আমরা কতবার যাইতাম ভাই
thanQ
আমিত ৬ বার গেলাম…
আমারে পত্রিকাই দিলো নাকা রে……..