বাইশারীতে জমে উঠেনি ঈদ বাজার

আশানুরুপ ক্রেতা নেই বাইশারীর ঈদ বাজারে
ঈদুল ফিতরের আর মাত্র এক সপ্তাহ বাকি রয়েছে। এখনো জমে উঠেনি বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার বাইশারীর ঈদ বাজার। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত দোকানগুলোকে ক্রেতাহীন অবস্থায় দেখা যাচ্ছে। বিগত সময়ে ক্রেতার অভাব না থাকলেও এবার তার চিত্র ভিন্ন। পবিত্র মাহে রমজানে ২৪ গড়িয়ে ২৫ রমজান অতিবাহিত হবে আজ কিন্তু ক্রেতারা না আসায় অলস সময় পার করছেন ব্যবসায়ীরা।
দিন মজুর ছৈয়দ আলম জানায়, লাগাতার ভারী বর্ষণে কাজে যাওয়া সম্ভব হয়নি। তাই এনজিও সংস্থা থেকে ঋন নিয়ে পরিবারের সদস্যদের ঈদের নতুন কাপড় কিনে দেব।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গতবছর এই সময়ে বিক্রেতাদের যেন দম ফেলার সুযোগ ছিলো না। লাগাতার হালকা থেকে ভারী বর্ষনের কারণে ব্যবসায়ীদের আশা ভরসা যেনো বিলিন হওয়ার পথে। তারপরও তাদের বিশ্বাস শেষের দিকে পুরো দমে জমে উঠবে বাইশারীর ঈদ কেনাকাটা।
ক্রেতা আনোয়ারা বেগম জানান, স্বামী দিন মজুর, তাই বাধ্য হয়ে ছেলে-মেয়েদের নিয়ে বাজারে আসতে হল। কোন্ ধরনের কাপড় ক্রয় করবেন জানতে চাইলে তিনি জানান, কম দামের কাপড় হলেই চলবে তাদের। ঈদের একটা খরচ রয়েছে তাই শান্তনা শুধু এটুকুই নতুন কাপড় পড়ে ছেলে-মেয়েরা ঈদে যাবে তা কম দাম হউক বা বেশী দামের হউক।
সরজমিনে ঈদ বাজার ঘুরে দেখা যায়, এবারের ঈদ বাজার ইতোমধ্যে পুরোপুরি জমে উঠেনি। রমজান শেষ হওয়ার পথে হলেও মার্কেটগুলোতে ক্রেতাদের ভিড় দেখা যাচ্ছে না। ব্যবসায়ীরা এখন সকাল ৯ টা থেকেই বিক্রির জন্য ক্রেতাদের জন্য অপেক্ষা করেন। একদিকে টানা বর্ষণ ও বন্যার কারণে মানুষ হয়ে পড়েছে কর্মহীন, অন্যদিকে দ্রব্যমূল্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় এর প্রভাব পড়েছে এবারের ঈদ বাজারে এমনটাই মনে করছেন ব্যবসায়ীরা।
দোকান মালিক আব্দুল মাবুদ জানায়, নিত্যপন্য জিনিষের মূল্য বৃদ্ধির কারণেই হতদরিদ্র সাধারণ মানুষেরা দামি কাপড়ের প্রতি এতটা ঝুঁকছে না। যারা মধ্যবিত্ত আছেন তারাতো এমনিতেই শহরে গিয়ে তারা প্রয়োজনীয় কাপড় চোপড় নিয়ে নেয়।

আরও পড়ুন
আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না।