বান্দরবানের দুই ‍উপজেলায় লকডাউনে বন্ধ সবকিছু

বান্দরবানের দুই উপজেলার লকডাউনের আজ ৬ষ্ঠ দিন

করোনা সংক্রামক প্রতিরোধে বান্দরবান সদর উপজেলা, ও রুমা উপজেলাকে রেড জোন ঘোষণা করে ১০জুন (বুধবার ) দুপুর ১২টার থেকে রেড জোন কার্যকর করতে এসব এলাকায় চলছে লকডাউন।

জেলায় করোনা সংক্রমণের হার বৃদ্ধি পাওয়ায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই লকডাউন জারি করা হয়েছে।

এদিকে লকডাউনের কারণে বান্দরবান সদরে সকাল থেকে কোন ধরনের যানবাহন চলাচল করছে না। শুধুমাত্র প্রশাসন,পুলিশ,সেনাবাহিনী, চিকিৎসক ,মানবিক সহায়তা ,ত্রান কার্যক্রম বাস্তবায়ন, জরুরি ঔষধ, চিকিৎসা উপকরণ,কৃষি উপকরণ ও পন্যবাহী যানবাহন সীমিত আকারে চলাচল করছে। বন্ধ রয়েছে সকল ধরণের হাট বাজার ,মুদি দোকানসহ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। শুধুমাত্র ওষুধের দোকান ও প্যাথলজি সেন্টার ছাড়া সকল কিছু বন্ধ থাকায় ভোগান্তীতে রয়েছে সাধারণ জনসাধারণ। প্রশাসনের পক্ষ থেকে শুধুমাত্র প্রতি রবিবার ও বুধবার সকাল ৭টা হতে বিকাল ৪ টা পর্যন্ত কাঁচাবাজার,মাছ বাজার ও মুদি দোকান খোলা রাখার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

এদিকে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে,করোনা সংক্রামক প্রতিরোধে বান্দরবান সদর উপজেলা ও রুমা উপজেলাকে রেড জোন ঘোষনা করে লকডাউন চলছে এবং যতক্ষণ পর্যন্ত বান্দরবানে করোনা সংক্রামকের হার কমবে না ততক্ষণ এই লকডাউন কার্যকর থাকবে।

বান্দরবান পৌরসভার মেয়র মোহাম্মদ ইসলাম বেবী জানান, বান্দরবানে গত কয়েকদিনে করোনা রোগী বেড়ে গেছে। জেলা সদরের বিভিন্ন প্রান্তে করোনা রোগী বেড়ে যাওয়ায় বান্দরবান জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বান্দরবান পৌরসভা ও উপজেলাকে লকডাউন করা হয়েছে গত ১০জুন (বুধবার ) থেকে।

তিনি আরো জানান,লকডাউনের কারণে কিছু সংখ্যক পরিবারে সবজিসহ কিছু নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের প্রয়োজন হয়ে পড়েছে,তাই আমরা বান্দরবান পৌরসভার পক্ষ থেকে ৯টি ওয়ার্ডে কাউন্সিলরদের মাধ্যমে প্রতিদিনই ভ্যানে করে জনসাধারণের ঘরের সামনে গিয়ে শাক-সবজি ও ফল বিক্রির ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি এবং এই কার্যক্রম শুরু হয়ে গেছে।

মেয়র আরো জানান, এখন থেকে যতদিন লকডাউন বলবৎ থাকবে ততদিন শুধুমাত্র প্রতি রবিবার ও বুধবার সকাল ৭টা হতে বিকাল ৪ টা পর্যন্ত বান্দরবানে কাঁচাবাজার,মাছ বাজার ও মুদি দোকান খোলা থাকবে এবং অন্যান্য সকল ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে।

আরও পড়ুন

আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না।