বান্দরবানের সাপ্তাহিক বাজারে মানা হচ্ছেনা শারীরিক দূরত্ব

করোনা ভাইরাসের ঝুঁকি মোকাবেলায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে শারীরিক দূরত্ব রেখে বাজার করার নির্দেশনা থাকলেও বান্দরবানে অনেক মানুষ তা মানছে না। শারীরিক দূরত্বের পাশাপাশি স্বাস্থ্যবিধি না মেনেই যেনতেনভাবেই ঘোরাঘুরি করছে হাটবাজারে, আর এতে করোনা ভাইরাসে সংক্রামিত হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দেয়ায় আতংকিত সচেতন মানুষ।

বান্দরবানে করোনা ভাইরাসের অব্যাহত সংক্রমণ প্রতিরোধের লক্ষ্যে বান্দরবান সদর উপজেলা, পৌরসভা এলাকা এবং রুমা উপজেলাকে রেড জোন ঘোষনা করেছে বান্দরবানের জেলা প্রশাসন। সবজি, মাছ, মাংস ও মুদির দোকানের জিনিস পত্র সংগ্রহ করার জন্য সপ্তাহ দুই দিন রবিবার ও বৃহষ্পতিবার (সকাল ৭ থেকে বিকাল ৪ টা) পর্যন্ত বাজার খোলা রাখার সিদ্ধান্ত গ্রহন করে বান্দরবানের প্রশাসন।

বান্দরবানের স্থানীয় বাসিন্দা মোহাম্মদ আলী রমজান বলেন, বাসায় কিছু নেই, বাধ্য হয়ে বাজার করতে এসেছি, বাজারে এসে মনে হচ্ছে মেলায় এসেছে, এতো ঝুঁকির মধ্য বাজার করতে হচ্ছে।

বান্দরবান রোয়াংছড়ি স্টেশনের নুরুল ইসলাম জানান, শারিরীক দূরত্ব বজায় রেখে মাছ কেনার জন্য আদা ঘন্টা অপেক্ষা করেছি, তারপরও সুযোগ পাচ্ছি না, মানুষ যদি না বুঝে তাহলে প্রশাসন কি করবে।

বান্দরবানে প্রশাসন পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এখন বাঁচার একমাত্র উপায় সব রকম সতর্কতা অবলম্বন করা। শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য সংগ্রহ করা প্রয়োজন। বাজার করতে বের হলে সঙ্গে নিতে হবে হ্যান্ড স্যানিটাজার।

বান্দরবানে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের এই পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হতে পারে। তবে প্রশাসন দাবি করেছেন, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করেই তারা পরিকল্পনা নিয়ে এগুচ্ছেন।

প্রসঙ্গত,বান্দরবান পার্বত্য জেলার ৭টি উপজেলায় নতুন আক্রান্ত ১৭জনসহ এ পর্যন্ত করোনা আক্রান্ত হয়েছে শিশুসহ ১১০ জন। ইতোমধ্যে জেলায় আক্রান্তদের মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ৩২ জন। স্বাস্থ্য বিধি না মানা আর অসচেতনতার কারণেই জেলার সব উপজেলায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে।

আরও পড়ুন

আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না।