বান্দরবানে আওয়ামী লীগের সভানেত্রী শেখ হাসিনার ৭৩তম জন্মদিন উদযাপন

বান্দরবানে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভানেত্রী ও বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৩তম জন্মদিন উদযাপন করা হয়েছে। ১৯৪৭ সালের আজকের এই দিনে তিনি গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন।

আজ শনিবার (২৮সেপ্টেম্বর) বিকালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভানেত্রী ও বর্তমান আওয়ামীলীগ সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন উপলক্ষে বান্দরবান বঙ্গবন্ধু মুক্তমঞ্চে জেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে এই জন্মদিন উদযাপন করা হয়।

এসময় অনুষ্টানে উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা কাজল কান্তি দাশ, মোঃ শফিকুর রহমান, সহ সভাপতি একেএম জাহাঙ্গীর, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ইসলাম বেবী,সাংগঠনিক সম্পাদক ক্যসাপ্রু, মোজাম্মেল হক বাহাদুর, অজিত কান্তি দাশ, সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক দীপ্তি কুমার বড়ুয়া, পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি অমল কান্তি দাশ, সাধারণ সম্পাদক সামশুল ইসলাম, শ্রমিক লীগের সভাপতি মোঃ মুছা কোম্পানী, সহ সভাপতি মোঃ রফিকুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলামসহ আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ, কৃষকলীগ, যুবলীগ, মহিলা আওয়ামী লীগ, জাতীয় শ্রমিক লীগসহ এর অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্ধরা ।

অনুষ্টানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন উপলক্ষে মিলাদ মাহফিল ও বিশেষ দোয়া মাহফিল অনুষ্টিত হয় এবং দোয়া মাহফিল শেষে আলোচনা সভা ও কেক কাটা অনুষ্টানে অংশ নেন দলের নেতাকর্মীরা।

এসময় মিলাদ মাহফিল পরিচালনা করেন বান্দরবান পৌরসভা মসজিদের ইমাম মাওলানা আলী আকবর ও বিশেষ দোয়া মাহফিল পরিচালনা করেন ইসলামী শিক্ষা কেন্দ্রের সিনিয়র শিক্ষক মাওলানা আবুল কালাম।

সভায় বক্তারা বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বেগম শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের বড় সন্তান। রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান হিসেবে ছাত্রজীবন থেকে প্রত্যক্ষ রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হন তিনি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গ্র্যাজুয়েট ডিগ্রি অর্জনকারী শেখ হাসিনা তৎকালীন ছাত্রলীগের অন্যতম নেতা ছিলেন।

১৯৭৫ সালের পটপরিবর্তনের পর ১৯৮১ সালে দেশে ফিরে আওয়ামী লীগের দুঃসময়ে দলীয় প্রধানের দায়িত্ব নেন বঙ্গবন্ধুকন্যা। এরপর থেকে ৩৬ বছর ধরে নিজ রাজনৈতিক প্রজ্ঞা ও আপসহীন নেতৃত্বের মাধ্যমে দেশের অসাম্প্রদায়িক-গণতান্ত্রিক রাজনীতির মূল স্রোতধারার প্রধান নেতা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন তিনি। তার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ ও অন্য রাজনৈতিক জোট-দলগুলো ১৯৯০ সালে স্বৈরাচারবিরোধী গণআন্দোলনের মাধ্যমে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সংগ্রামে বিজয়ী হয়।

এসময় বক্তারা আরো বলেন, ২০১৪ এর ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে বিজয়ের পর ১২ জানুয়ারি শেখ হাসিনার নেতৃত্ব টানা দ্বিতীয় এবং ২০১৮ এর নির্বাচনে বিজয়ের পর টানা তৃতীয় মেয়াদের তার নেতৃত্বে সরকার গঠিত হয়েছে। গণতন্ত্র ও দেশের মানুষের ভোট ও ভাতের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন-সংগ্রামে অসামান্য অবদান রাখার পাশাপাশি রাষ্ট্র পরিচালনায়ও ব্যাপক সাফল্যের পরিচয় দিতে সক্ষম হয়েছেন তিনি।

১৯৯৬-২০০১ সালে তার প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালনকালে পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তি ও গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তি তার সরকারের অন্যতম সাফল্য হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। বর্তমানে তার সরকার ২০২১ সালের মধ্যে ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত ও মধ্যম আয়ের আধুনিক ডিজিটাল বাংলাদেশ এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য পূরণে কাজ করে যাচ্ছে।

আরও পড়ুন

আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না।