বান্দরবানে চলতি বছরে ১,৫২,৭৩০ পিস ইয়াবা ও সাড়ে ৩ কোটি টাকার আফিম উদ্ধার

সীমান্তবর্তী এলাকা হওয়ায় বান্দরবান জেলায় অবাধে প্রবেশ করছে মরণঘাতী মাদকদ্রব্য, জেলার ৭টি উপজেলায় সম্প্রসারিত হচ্ছে মাদকের বিস্তার। আর মাদক নিয়ন্ত্রন করতে পুলিশ, এলিট ফোর্সসহ দেশের বিভিন্ন নিরাপত্তা বাহিনী অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমান মাদক উদ্ধারের পাশাপাশি আটক করেছে এর হোতাদের। আর এ নিয়ে প্রতিবেদন তৈরী করেছেন পাহাড়বার্তা’র গবেষণা সেল এর প্রধান সুহৃদয় তঞ্চঙ্গ্যা।

বিশেষজ্ঞের মতে, বান্দরবান জেলার কিছু অংশ মিয়ানমারের সীমান্তবর্তী হওয়ার কারণে মাদক চোরাকারবারীরা সহজে মাদকের চালান নিয়ে আসছে জেলায়। জেলার সীমান্তবর্তী নাইক্ষ্যংছড়ি, আলীকদম, থানচি, রুমা উপজেলা মূলত মিয়ানমার এবং ভারতের কাছাকাছি হওয়ার কারণে মাদক চোরাকারবারীদের অবাধ বিচরণের কারণে জেলায় মাদকের কারবার বাড়ছে।

পাহাড় বার্তা’র গবেষণা সেল এর তথ্য অনুসারে, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মার্চ মাস পর্যন্ত বান্দরবান জেলায় ১,৫২,৭৩০ পিস ইয়াবা, ৯ রাউন্ড গুলিসহ ৪টি দেশি-বিদেশি অস্ত্র ও ৩ কোটি ৫০ লক্ষ টাকার আফিম উদ্ধার হয়েছে, আটক হয়েছে অন্ততঃ ১০ জন।

অন্যদিকে ২২’ জানুয়ারী ও ৮’ই ফেব্রুয়ারী জেলার নাইক্ষ্যংছড়িতে বিজিবি সাথে বন্দুক যুদ্ধে ৩ ইয়াবা চোরাকারবারি নিহত হন। নিহতরা সবাই রোহিঙ্গা বলে জানা যায়।

বান্দরবান জেলার পুলিশ সুপার জেরিন আখতার জানান, বান্দরবান জেলার কিছু অংশ সীমান্তবর্তী হওয়ার কারণে বিদেশি কিছু মাদক আসতেছে। মাদক বিরোধী অভিযানে আমরা বরাবরই জিরো টলারেন্সে রেখেছি। জেলার কিছু অংশে চোলাই মদ উৎপাদন হচ্ছে, পুলিশের অভিযানে চোলাই মদ উৎপাদন অনেকাংশে কমেছে। মাদক বিরোধী অভিযানে গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিদের বিরুদ্ধ আমরা আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি।

আরও পড়ুন
আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না।