বান্দরবানে ছাত্রলীগের ৬৯তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন

বান্দরবানে ছাত্রলীগের ৬৯তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে অতিথিরা।- ছবি-রাহুল বড়ুয়া ছোটন।
বর্ণাঢ্য আয়োজনে বান্দরবানে ছাত্রলীগের ৬৯তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন করা হয়েছে। ৬৯তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে রবিবার দুপুরে জেলা ছাত্রলীগের আয়োজনে শহরের রাজারমাঠ থেকে বের করা হয় এক বর্ণাঢ্য র‌্যালী।
এসময় র‌্যালীতে ব্যানার ও প্লেকার্ড হাতে নিয়ে ছাত্রলীগের বিভিন্ন নেতাকর্মীরা অংশ নেয়। র‌্যালীটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে শহরের বঙ্গবন্ধু মুক্তমঞ্চে গিয়ে শেষ হয়। পরে এক ছাত্রসমাবেশ অনুষ্টিত হয় ।
বান্দরবানে ছাত্রলীগের ৬৯তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে বান্দরবান শহরে শোভাযাত্রা।- ছবি-রাহুল বড়ুয়া ছোটন।
জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি কাউছার সোহাগের সভাপতিত্বে ছাত্রসমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি মো:শফিকুর রহমান। এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি আব্দুর রহিম চৌধুরী, সহ সভাপতি এ.কে.এম জাহাঙ্গীর, মংক্যচিং চৌধুরী, পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের সদস্য কাজল কান্তি দাশ, পার্বত্য জেলা পরিষদ সদস্য লক্ষীপদ দাস, সদস্য ক্যসা প্রু মারমা, সদস্য মোজাম্মেল হক বাহাদুর, জেলা আওয়ামীলীগের স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক ডাঃ মানস কুমার দাশ, জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও ৩নং ওয়ার্ড পৌর কাউন্সিলর অজিত কান্তি দাশ, ৮নং ওয়ার্ড পৌর কাউন্সিলর হাবিবুর রহমান খোকন, পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি অমল কান্তি দাশ, সাধারণ সম্পাদক সামশুল ইসলাম, জেলা সেচ্ছাসেবকলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. জহির উদ্দিন চৌধুরী বাবরসহ প্রমূখ।
বান্দরবানে ছাত্রলীগের ৬৯তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে বান্দরবান শহরে শোভাযাত্রা।- ছবি-রাহুল বড়ুয়া ছোটন।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করে আগামির সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশ বিনির্মাণে ছাত্রলীগকে আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। এসময় বক্তারা ছাত্রলীগের আর্দশকে হাতিয়ার হিসেবে নিয়ে সকলকে একসাথে কাজ করার আহবান জানান। তারা আরো বলেন, দেশের উন্নয়নে সকল কর্মকান্ড আরো সুদুর প্রসারী করতে সকলকে একসাথে কাজ করতে হবে। এসময় বক্তারা সুখী ,সুন্দর ও আদর্শ বাংলাদেশ নির্মাণে ছাত্রলীগের পতাকা তলে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহবান জানান।
ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের পড়ালেখার পাশাপাশি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে বর্তমান সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নের বার্তা ঘরে ঘরে পৌঁছে দেয়ার তাগিদ দেন। ছাত্রলীগকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বুকে ধারন করে সরকারের উন্নয়নের বার্তা সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতে হবে। পরে প্রতিষ্ঠাবর্ষিকীর কেক কাটার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শেষ হয়।

আরও পড়ুন
আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না।